বিজ্ঞাপন

শুরুতেই বিতর্কে থালাপতি বিজয়ের সরকার

ভারতের তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর জেলায় ১০ বছরের এক নাবালিকাকে অপহরণের পর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সুলুর এলাকার কান্নামপালায়ম হ্রদের পাশে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও শোক আরও বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ঘটনার রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। যার দরুন, তুমুল বিতর্কে থালাপতি বিজয়ের সরকার। 

বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, শিশুটি বাড়ির পাশে একটি দোকানে জিনিস কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে শুক্রবার (২২ মে) হ্রদের ধারে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই তদন্তে নেমে কার্তিক ও মোহন রাজ নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। 

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী দল দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝাগম নতুন সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, প্রশাসনের দুর্বলতার কারণেই এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার। 

অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পূর্ববর্তী সরকারের সময়কার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে দায়ী করে পাল্টা বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। দলটির নেতা নারায়ণন তিরুপতি দাবি করেন, আগের প্রশাসনের সময় থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছিল, যার প্রভাব এখনো রয়ে গেছে। ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ ও ক্ষোভের আবহ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সাধারণ মানুষ কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। নারী ও শিশু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। 

এদিকে এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী ও অভিনেতা থালাপতি বিজয় কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ঘটনাটিকে ক্ষমাহীন অপরাধ বলে উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, নারী ও শিশু নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত দ্রুত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে এবং মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিচার প্রক্রিয়ায় নেওয়া হবে। স্থানীয় এলাকাজুড়ে এখন শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত ও কঠোর বিচার দাবি করছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।

পড়ুন:ঐশ্বরিয়া এলো রেড কার্পেটে, আজ ছিল কানের শেষ দিন

দেখুন:গাজা যু/দ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি অ/স্ত্র দিল ভারত! 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন