বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা আটক, উদ্দেশ্য নিয়ে ধোঁয়াশা

নেত্রকোনা শহরের প্রাণকেন্দ্র ছোটবাজার এলাকা থেকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় মো. কারিম (৩০) নামে এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। বর্তমানে ওই যুবক নেত্রকোনা সদর মডেল থানার হেফাজতে রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে শহরের ছোটবাজার এলাকায় এক অপরিচিত যুবককে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তার গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় পুলিশের কাছে গোয়েন্দা তথ্য পৌঁছায়। খবর পেয়ে নেত্রকোনা সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় এবং মো. কারিমকে আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃত মো. কারিম নিজেকে কক্সবাজারের ওয়াইকাম এলাকার ফালনখালী গ্রামের বাসিন্দা বলে দাবি করেছেন।

থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কারিম জানিয়েছেন, তিনি গত ৬ জুন চট্টগ্রাম থেকে ‘সোনাতরী পরিবহন’ নামক যাত্রীবাহী বাসে করে নেত্রকোনায় আসেন। তবে কক্সবাজার বা চট্টগ্রাম থেকে এত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নেত্রকোনায় আসার মূল উদ্দেশ্য কী, সে বিষয়ে তিনি পুলিশকে সুস্পষ্ট বা সন্তোষজনক কোনো তথ্য দিতে পারেননি। তার আকস্মিক উপস্থিতি ও অস্পষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এ বিষয়ে নেত্রকোনা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সরকার জানান, “আটক ব্যক্তির পরিচয় এবং তার বর্তমান অবস্থান সংক্রান্ত সকল তথ্য আমরা গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করছি। সে কীভাবে কক্সবাজার থেকে নেত্রকোনায় পৌঁছাল এবং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা চক্র জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

রোহিঙ্গা নাগরিকদের নির্দিষ্ট ক্যাম্পের বাইরে বের হওয়া নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চলে এলেন, তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।

পড়ুন- বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ওয়ানডে আজ, একাদশে যারা থাকতে পারেন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন