বাংলাদেশ, শীর্ষ খবর

বিজয়ের ৫০ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি বক্তাবলীর শহীদদের

বিজয়ের মাত্র ১৭ দিন আগে, একাত্তরের ২৯ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার বক্তাবলীতে ১৩৯ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা।

স্বাধীনতা সংগ্রামে এ গ্রামের যথেষ্ট অবদান থাকলেও অবহেলিতই রয়ে গেছে সেসব ইতিহাস। এমনকি স্বীকৃতিও মেলেনি সেই শহীদদের।

২৯ নভেম্বর’ ১৯৭১, ভোরের কুয়াশা কাটেনি। নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল বক্তাবলীর মানুষ তখনও ঘুমিয়ে। এই গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি আছে এমন তথ্য পেয়ে দেশীয় দোসরদের নিয়ে হামলা চালায় পাক সেনারা। শস্যভান্ডারখ্যাত বক্তাবলীতে সেদিন সুবেহ সাদেক শুরু হয়েছিল গুলির শব্দে।

বক্তাবলীর ২২টি গ্রাম থেকে নিরীহ ১৩৯ জনকে ধরে এনে নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যার পর পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীনগর গ্রামে লাশ স্তুপ করে রাখা হয়। কারও কারও লাশ ভাসিয়ে দেয়া হয় নদীতে। হানাদার বাহিনী গান পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে দেয় ২২টি গ্রামের বাড়িঘর।

চোখের সামনে ছোট ভাইকে তুলে নিয়ে হত্যা করতে দেখেছেন বক্তাবলীর রোকেয়া বেগম। পরে আর লাশটিরও খুঁজে পায়নি পরিবার।

মাত্র বছর দুয়েক আগে, বক্তাবলীর এই বধ্যভূমিতে তৈরি করা হয়েছে ৭১ এর শহীদ সেই ১৩৯ জনের নাম ফলক। কিন্তু সরকারিভাবে মেলেনি স্বীকৃতি।

দেশের স্বাধীনতা অর্জনে এ গ্রামের যথেষ্ট অবদান থাকলেও, স্বাধীনতার পর অবহেলিতই রয়ে গেছে গ্রামটি। বধ্যভূমির পাশে শহীদদের স্মরণে একটি স্মৃস্তিস্তম্ভের দাবী এলাকাবাসীর।

সাশা/ফই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE

‘কাঁচা বাদাম’ গান ও একজন ভুবন বাদ্যকার
মা ও স্ত্রীর মধ্যে ভারসাম্য রাখতে চান?
অন্ধদের দৃষ্টি ফেরাবে বায়োনিক চোখ
আপনার ফোনে আড়ি পাতলে কিভাবে বুঝবেন?