28 C
Dhaka
সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

গীবত করলে ও মিথ্যা বললে রোযা ভেঙ্গে যাবে কি?

বিশেষ সংবাদ

- Advertisement -

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর আরেক নাম ছিল আল অামিন। তাঁর সত্যবাদিতার জন্য মক্কাবাসী তাঁকে এই নামে সম্মোধন করত। প্রিয় নবীর উম্মত হিসেবে আমাদের প্রত্যককে সত্য কথা বলা ও মিথ্যা পরিহার করার বিষয়ে যত্নবান হওয়া প্রয়োজন।

 

ইসলামের দৃষ্টিতে মিথ্যা কথা বলা কবিরা গুনাহ। বলা হয় জাহান্নামের সবচেয়ে নিকৃষ্ট স্থানে অবস্থান করবে মুনাফিকরা আর মুনাফিকের অন্যতম বৈশিষ্ট হলো সে মিথ্যাবাদী। সুতরাং মিথ্যা কথা বলার মধ্যে দিয়ে আমরা নিজেদের মুনাফিকির দিকে ঠেলে দিচ্ছি।

 

অপরদিকে গীবত করা অর্থাৎ পরনিন্দা করাও ইসলামের দৃষ্টিতে কবিরা গুনাহ। গীবত মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার শামিল। সূরা হুজুরাতের ১২নম্বর আয়াতে আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ ‘তোমাদের কেউ যেন কারো গীবত না করে, তোমাদের কেউ কি চায় যে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত ভক্ষণ করবে? তোমরা তো এটাকে ঘৃণাই করে থাকো’। এথেকে বোঝা যায় গীবত করা ইসলামের দৃষ্টিতে কতোটা নিন্দনীয় কাজ।

 

যে কোনো অবস্থাতেই ( বিশেষ কিছু পরিস্থিতি ছাড়া) মিথ্যা বলা বা গীবত করা কবিরা গুনাহ্। তাই সহজেই অনুধাবন করা যায় যে রোযা অবস্থাতেও মিথ্যা বলা ও গীবত করা নিষেধ হবে। এ ব্যাপারে হাদিসে এসেছে,

রোযা অবস্থায় মিথ্যা বলা, গীবত করা, স্ত্রী সহবাস করা, ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করা ইত্যাদিতে রোযা নষ্ট হয়ে যায়। (বুখারী, মুসলিম)

 

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল করা পরিত্যাগ করে না তবে তার খাদ্য ও পানীয় হতে বিরত থাকায় আল্লাহর কোনই প্রয়োজন নেই।’ (আবু দাউদ)

 

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যখন কেউ কোনোদিন রোযা রাখবে, সে যেন অশ্লীল  কথা না বলে এবং গোলমাল ও ঝগড়া না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় অথবা তার সাথে ঝগড়া করে তাহলে তার বলা উচিত আমি রোযাদার।’ (আবু দাউদ)

 

তাই শুধু খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ হতে বিরত থাকাই নয়, মিথ্যা ও গীবত থেকে নিজেদের বাঁচাতে পারলেই রোযা সঠিকভাবে পালন করা হবে।

মাসুম বিল্লাহ্ বিন রেজা//মাও
- Advertisement -
- Advertisement -

আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বাধিক পঠিত