27 C
Dhaka
শনিবার, আগস্ট ২০, ২০২২

ডায়রিয়া প্রতিরোধে বাংলাদেশ অনুকরণীয়

বিশেষ সংবাদ

- Advertisement -

ডায়রিয়ার ভয়াবহতার তথ্য প্রকাশ করে সেখানে ডায়রিয়া প্রতিরোধে বাংলাদেশের সফলতার কথা উল্ল্যেখ করা হয়েছে ‘দ্য ইকোনোমিস্ট’ পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে। সেই প্রতিবেদনে বিশ্বে অন্যান্য দেশগুলো ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনুকরণ করতে পারে বলেও উল্ল্যেখ করা হয়েছে।

দ্য ইকোনোমিস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশ ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে অনেক অগ্রগতি করেছে। দুই দশক ধরে ডায়রিয়ার কারণে মৃত্যুর হার ৯০ শতাংশের বেশি কমেছে।

 

সেখানে বলা হচ্ছে প্রত্যন্ত এলাকায় টিকা কর্মসূচি, স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ডায়রিয়ার প্রকোপের উপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা হ্রাসে সাহায্য করেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ১৯৯০ এ বাংলাদেশে পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের মৃত্যুর হার বিশ্বের গড় অনুপাতের ৫৪ শতাংশ বেশি ছিল, যা বর্তমানে মাত্র ১৬ শতাংশ।

এদেশের মানুষের জীবনমান উন্নত হচ্ছে উল্ল্যেখ করে সেখানে বলা হয়েছে, অন্যান্য দরিদ্র দেশগুলোর বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিৎ কেমন করে কোন রোগকে বিতাড়িত করতে হয়। সেখানে বলা হয়েছে বাংলাদেশের গ্রামবাসী নিজ উদ্যোগে নিজ নিজ ঘরে একটি করে স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাটিন বানায় আর একটি টিউবওয়েল বসিয়ে নেয়। মূলত এই দুটো দিয়েই তারা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম হয়।

 

একই সাথে, বলা হয়েছে মানুষের আচরণগত পরিবর্তন আনতে সফল হয়েছে বাংলাদেশ। সরকার ও বিভিন্ন দাতব্য সংস্থাগুলো সাধারণ মানুষদের খোলা স্থানে মলমুত্র ত্যাগের অপকারিতা বোঝাতে সক্ষম হইয়েছে। মানুষ সচেতন হয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতে জীবন যাত্রার মান তুলনামূলকভাবে উন্নত হওয়া স্বত্ত্বেও সেখানে এই সচেতনতা এখনও আসেনি সেটাও উল্ল্যেখ করা হয়েছে।

 

খাবার স্যালাইনের কথা উল্ল্যেখ করে সেখানে বলা হয়েছে খুব সহজ একটি উপায়ে অনেক শিশুর প্রান বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে মা-বাবা। ১৯৬০ সালে আমেরিকার সামরিক বাহিনীর চিকিৎসকগণ এবং ঢাকার কয়েকজন গবেষক চিনি আর লবণ যোগে ডায়রিয়া জন্য একটি চিকিৎসা বের করে। যা পানিশুন্যতা থেকে বাঁচায়। এই পানিশুন্যতা থেকে বাঁচার উপায় এখনও আফ্রিকার দেশগুলো সঠিকভাবে বের করতে পারেনি।

স্যালাইনের আবিষ্কারক ডা. রফিকুল ইসলাম মারা গেছেন

প্রাথমিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্ল্যেখ করে বলা হয়েছে বাংলাদেশের মায়েরা হাত ধোয়া ও খাবার গরম করে খাওয়ার ফলে জীবানুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় সে কথা জানে। যার ফলে রোগ সুস্থভাবে তাদের শিশুরা বাঁচতে পারছে।
‘বাংলাদশ শোজ হাউ টু কিপ চিলড্রেন এলাইভ’ শিরোনামে এই প্রতিবেদনটি ২২ মার্চ ২০১৮ তে পত্রিকাটির অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত হয়েছে। আর প্রিন্ট ভার্সনে এর শিরোনাম ‘নাউ ওয়াশ ইওর হ্যান্ড’।

 

শাফে//মাও
- Advertisement -
- Advertisement -

আরও পড়ুন

- Advertisement -

সর্বাধিক পঠিত