♦♦ সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৭৫ জন। ♦♦ করোনা উপসর্গ দেখা দিলে অথবা করোনা বিষয়ক জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পেতে ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে কল করুন এবং তথ্য পেতে www.corona.gov.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।। এ ছাড়া আইইডিসিআরের ইমেইল বা ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। ♦♦ www.livecoronatest.com এ আপনি ঘরে বসেই কোভিড-১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি'না, তা নিজেই মূল্যায়ন করতে পারবেন। এমনকি আপনার ঝুঁকির মাত্রা ও করনীয় সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

ফিচার

বিসিজি টিকা হতে পারে করোনার হাতিয়ার

বিসিজি বা ব্যাসিলাস ক্যালমেট-গুয়েরিন টিকা মূলত যক্ষ্মার প্রতিষেধক। যক্ষ্মা প্রতিরোধে শত বছর ধরে ব্যবহৃত এই টিকা মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিসিজি যা ১৯২০ সালের গোড়ার দিকে প্রথম চিকিৎসামূলকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। গবেষকরা বলছেন, যক্ষ্মার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তৈরি করা বিসিজি ভ্যাকসিন মানুষের ‘ফ্রন্টলাইন’ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কার্যকর।

অনুবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যাসিলাস ক্যালমেট-গুয়েরিন

করোনাভাইরাসে দিশেহারা পুরো বিশ্ব। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন এই মরণ ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের। বিভিন্ন দেশের গবেষকদের দাবি, যক্ষা রোগের (টিবি) বিসিজি ভ্যাকসিন হিসাবে যা ব্যবহৃত হয় তা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি সম্ভাব্য নতুন হাতিয়ার হতে পারে। যক্ষ্মার প্রতিষেধকে করোনা চিকিৎসার সুফল মিলতে পারে।

মেলবোর্নের মারডক চিলড্রেন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষকরা, বিসিজি ভ্যাকসিন করোনাভাইরাসের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে কিনা তা দেখতে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালের চার হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর এটি প্রয়োগ করবেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিজি টিকা করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরের কতটা কার্যকর এবং তা প্রতিরোধে কতটা কার্যকর তা বিশ্লেষণ করতে গবেষণা শুরু হয়েছে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ নাইজেল কার্টিস। অস্ট্রেলিয়ার বাইরে নেদাল্যান্ডসে ১ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী এই গবেষণায় কাজ করবে বলে জানান তিনি।

এই গবেষণায় সাহায্য করতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে উৎসাহিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও)। নাইজেল কার্টিজ বলেন, ‘এই টিকা আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যা যেকোনো ভাইরাস, সংক্রামক রোগ কিংবা ব্যাকিটেরিয়াজনিত রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।’

এদিকে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে নিউইয়র্ক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি কলেজ অফ অস্টিওপ্যাথিক মেডিসিন পরীক্ষা করেছে। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, পৃথিবীর যেসব দেশে বিসিজি টিকাদান কর্মসূচি নেই সেসব মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে দীর্ঘস্থায়ী টিকাদান কর্মসূচি যেসব দেশে চালু আছে সেসব দেশের মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কম।

গবেষণায় আরও দাবি করা হয়, বিসিজি টিকা আসার পর থেকে বিশ্বে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যহারে কমে গেছে। এ ছাড়া ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিসিজি টিকা না দেওয়ার কারণে চীন এবং ভারতের চেয়ে করোনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে গবেষণায় দাবি কর হয়। কারণ চীন এবং ভারতে বহুকাল ধরে বিসিজি টিকার প্রচলন রয়েছে। অন্যদিকে ইরান বিসিজি টিকা দেয়া শুরু করেছে অনেক দেরিতে, ১৯৮৪ সালে।

তবে, বিসিজি যদি কার্যকর ব্যবস্থা হয় তাহলে COVID-19 আক্রান্ত প্রত্যেককে সহায়তা করতে সক্ষম না ও হতে পারে। দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। সে সম্পর্কে আমাদের আরও বিস্তারিত জানতে কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে। দেখতে হবে বাকিদের জন্য এটি কতটা সহায়ক হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশ

আক্রান্ত
৩৫৫৮৫
সুস্থ
৭৩৩৪
মৃত্যু
৫০১
সূত্র:আইইডিসিআর

বিশ্ব

আক্রান্ত
৫৫৫৪৫০৪
সুস্থ
২৩৩১৫৯৭
মৃত্যু
৩৪৮১৪১
সূত্র: ওয়ার্ল্ড মিটার
ঈদের ইতিহাস
ঘূর্ণিঝড়ের নাম যেভাবে রাখা হয়
ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত ও এর অর্থ
বারবার হাত ধোয়ার কারণে ত্বক শুকিয়ে গেলে যা করবেন