আন্তর্জাতিক, ফিচার, ফিচার ও

মহাকাশ গবেষণায় এতো টাকা ঢালছে কেনো ভারত?

মহাকাশ গবেষণায় বিপুল বিনিয়োগ করছে ভারত। চাঁদে যাওয়ার অভিযান ব্যর্থ হলেও, দেশটির এমন মরিয়া মনোভাব, বিশ্ববাসীর দৃষ্টি কেড়েছে। কিন্তু, কেনো ভারত মহাকাশ গবেষণায় এতোটা মরিয়া? বিশ্লেষকরা বলছেন, এর পেছনে রয়েছে শত শত কোটি ডলারের হাতছানি।

আর মাত্র দুই দশমিক এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারলেই, বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদের বুকে পা রাখতে পারতো ভারতের রোবটযান। কিন্তু, চাঁদের মাটি স্পর্শ করার মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগে, যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে চন্দ্রযান- ২।

আপাতদৃষ্টে মনে হতে পারে, এই ব্যর্থতায় মূষরে পড়েছে ভারত। কিন্তু, বিশ্লেষকরা বলছেন, মহাকাশ গবেষণায় ভারত তার সঠিক পথেই আছে।

মহাকাশ গবেষণা এখন বিশ্বে অনেক বড় এক ব্যবসা। পৃথিবী থেকে মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে ৫০টির বেশি দেশ ও শত শত প্রতিষ্ঠান। এসব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয় অল্প কয়েকটি দেশের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে। যাতে খরচ হয় কোটি কোটি ডলার।

আর এই ব্যবসাতেই ভাগ বসাতে চায় ভারত। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ কারণেই দেশটি খুব কম খরচে চন্দ্র অভিযানের কথা ফলাও করে প্রচার করছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের ২৬০টি দেশ ও প্রতিষ্ঠানের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের গন্তব্য এখন ভারত।

তাহলে, চাঁদে যাওয়া, ২০২২ সালের মধ্যে মহাকাশে নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনা, এসবের মানে কি? আসলে, ভারত যে মহাকাশ গবেষণায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করতে পেরেছে, তার প্রমাণও তো থাকতে হয়। হয়ে উঠতে হয় বিশ্বশক্তি। নইলে, বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান, কেনো তাদের টাকা ঢালবে?

কিন্তু এতো দরিদ্র মানুষ যে দেশে বাস করে, তাদের কি মহাকাশ নিয়ে গবেষণায় এতো মনোযোগ মানায়? এমন সমালোচনাও রয়েছে। জবাবে ভারত বলে আসছে, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই, মহাকাশ গবেষণায় তাদের এতো এতো বিনিয়োগ।

LIVE
Play
ছাত্র সংগঠনগুলোর আয়ের উৎস কী?
হলুদের গুণাগুণ
ভয়ঙ্কর গ্যাস এসএফ-সিক্স
বোকা পাখি ডোডো