30 C
Dhaka
বুধবার, জুলাই ৬, ২০২২

পৃথিবী বদলে দেয়া জন স্নোর কলেরা ম্যাপ

বিশেষ সংবাদ

- Advertisement -

১৮৫৪ সালে লন্ডনে কলেরার মহামারি হয়েছিলো। ডাক্তারদের কপালে ভাঁজ ফেলেছিলো এই রোগ। কিভাবে এ মহামারি নিরাময় করা যাবে সে উপায় খুঁজছিলেন তারা।

সেই সময়ের চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মধ্যেও ধারণা ছিলো কলেরা ছড়ায় বাতাসের মাধ্যমে। কিন্তু জন স্নো নামের এক চিকিৎসক বদলে দিলেন কলেরা নিয়ে প্রচলিত ধারণা। কলেরা রোগের উৎস সন্ধানে তিনি বেশ কিছুদিন ঘুরে বেড়ালেন লন্ডন শহরের অলিগলি। এঁকেছেন রোগাক্রান্ত শহরের মানচিত্র। সেই মানচিত্রে আঁকা আছে শহরের তেরটি জলাধার ও ৫৭৮ জন কলেরায় মৃত ব্যক্তির ঠিকানা।

এই মানচিত্র আঁকতে গিয়ে তিনি লক্ষ্য করলেন- লন্ডনের পানি সরবরাহ তখন নির্ভরশীল ছিল মূলত তেরটি অগভীর জলাধারের উপর। সেখান থেকে হাতে চাপা কলের সাহায্যে সাধারণ মানুষ পানি সংগ্রহ করতো। জন স্নো লক্ষ্য করেন ব্রড স্ট্রীটের (বর্তমানে ব্রডউইক) পানির কল ব্যবহারকারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি কলেরায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

ম্যাপে তিনি কিছু কালো বিন্দু ব্যবহার করে দেখিয়েছেন পানির কলের আশেপাশের কলেরা রোগীর সংখ্যা। তিনি আরো দেখিয়েছিলেন ‘সাউথওয়ার্ক অ্যান্ড ভক্সহল ওয়াটার ওয়ার্কস কোম্পানি’ টেমসের নদীর সে অংশের পানি কলে সরবরাহ করছেন যা কিনা দূষিত। এর ফলশ্রুতিতে কলেরা পৌঁছে গিয়েছিলো ঘরে ঘরে, যা পরবর্তীতে মহামারি রূপ নিয়েছিলো।

জন স্নোর করা বিখ্যাত সেই ম্যাপ

পরবর্তীতে রোগটা যে বাতাসের মাধ্যমে নয়, ছড়ায় খাবার পানির মাধ্যমে এটা প্রমাণ করতে জন স্নোকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিলো।

ডাঃ জন স্নোর সেই কলেরা রোগীদের অবস্থান দেখিয়ে লন্ডনের বিখ্যাত মানচিত্রটি epidemiological Society of London– এ রাখা আছে।

- Advertisement -
- Advertisement -

আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বাধিক পঠিত