দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত ২ হাজার ৪৮৭ জন। ৩৪ মৃতের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ, ৩ জন নারী। ♦♦ দেশে মৃতের মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার ৩৯৯ জনে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ জন। ♦♦ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৬ জন। আর মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৭০ জন। ♦♦ করোনা উপসর্গ দেখা দিলে অথবা করোনা বিষয়ক জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পেতে ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে কল করুন এবং তথ্য পেতে www.corona.gov.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।। এ ছাড়া আইইডিসিআরের ইমেইল বা ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন করা যাবে। ♦♦ www.livecoronatest.com এ আপনি ঘরে বসেই কোভিড-১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি'না, তা নিজেই মূল্যায়ন করতে পারবেন। এমনকি আপনার ঝুঁকির মাত্রা ও করনীয় সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

ফিচার , , , ,

কেন এই খাস কামরা?

তানভীর জনি

কর্মকর্তাদের দপ্তরের সাথে লাগোয়া বিশ্রাম কক্ষকে খাস কামরা বলে। অফিসে কাজের ফাঁকে বিশ্রামের জন্য দরকার হয় এই কামরার। সাধারণত অফিসের প্রধান কর্মকর্তাদের জন্য এ ধরণের সুবিধা চালু আছে। যদিও, এ ব্যাপারে সরকারি কোন বিধান নেই। তবে ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই চালু আছে এই প্রথা। এ বিষয়ে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আকবর আলী খান বলেন, “অনেক সময় মূল অফিসে অনেকের সামনে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যায় না। উদাহরণস্বরূপ, বিচারক অনেক সময় তার খাস কামরায় আইনজীবীদের ডেকে নিয়ে আলোচনা করেন। ফলে গোপনীয়তা রক্ষার জন্যেও এ ধরণের ব্যবস্থার দরকার হয়।” পাশাপাশি দিনের বেলায় কাজের ফাঁকে বিশ্রামের জন্য কর্মকর্তারা এসব কক্ষ ব্যবহার করেন।

সম্প্রতি, বাংলাদেশে সামাজিক মাধ্যমে একজন জেলা প্রশাসকের খাস কামরার আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ পায়। যার ফলে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হয়। স্থানীয় সংবাদদাতারা বলছেন, অল্প কিছুদিন আগে বিশ্রামের জন্য ওই খাস কামরাটি তৈরি করিয়েছিলেন জেলা প্রশাসক। সাধারণত, প্রশাসন, পরিষেবা, হাসপাতাল, পানি বা বিদ্যুৎ উন্নয়ন, থানাসহ সরকারি অনেক দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তাদের জন্য খাস কামরার ব্যবস্থা থাকে। কামরাগুলো সাধারণত সরকারি খরচেই হয়। আবার, অনেক ক্ষেত্রে খাস কামরার আসবাব বা ব্যবহারের জিনিসপত্র বিভিন্ন জনের কাছ থেকে উপহার হিসাবে আসে। এসব কামরায় সিসি ক্যামেরা তেমন একটা বসানো হয় না। কিন্তু জেলা প্রশাসকের ভিডিও প্রকাশের পর অনেকের প্রশ্ন উঠেছে, কেন একজন কর্মকর্তার জন্য খাস কামরার বিশেষ সুবিধা থাকবে? জবাবে আকবর আলী খান বলেন, “সরকারি দপ্তরের প্রধান ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের কোনরকম কর্ম ঘণ্টা ছাড়াই একটানা দিনরাত কাজ করতে হয়। তাদের বিশ্রামের জন্য এ ধরণের কক্ষ থাকা দরকার।”

 

 

ব্রিটিশ আমল থেকে খাস কামরার চল থাকলেও, বর্তমানে এর কোন প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা তা বিবেচনা করা উচিৎ। যে উদ্দেশ্যে খাস কামরার প্রচলন হয়েছে, সেই উদ্দেশ্য কী ঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে? তাছাড়া, যেসব দেশ থেকে খাস কামরার প্রচলন এসেছে, এখন সেসব দেশেই এই প্রথা নেই। আমাদেরও কী এখন তা বিবেচনা করা উচিত না যে, এ ধরণের সেবার প্রয়োজনীয়তা আদৌ কতটুকু? বিশেষ করে, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের ঘটনা। পাশাপাশি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চেয়ারম্যানের খাস কামরার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সে দাবিকে আরো জোরালোভাবে পর্যালোচনা করে দেখা উচিত কিনা?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LIVE

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশ

আক্রান্ত
২৫৭৬০০
সুস্থ
১৪৮৩৭০
মৃত্যু
৩৩৯৯
সূত্র:আইইডিসিআর

বিশ্ব

আক্রান্ত
১৯৮২৪০৩৯
সুস্থ
১২৭৩২৫৪৬
মৃত্যু
৭২৯৯১০
সূত্র: ওয়ার্ল্ড মিটার
আজ জহির রায়হানের জন্মদিন
বৈরুত বিস্ফোরণের অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট কী পদার্থ?
এন্ড্রু কিশোরের সেরা ৫ গান
চোখে মুখে মৌমাছি নিয়ে চার ঘণ্টা!