27 C
Dhaka
শুক্রবার, আগস্ট ১২, ২০২২

‘মহাজনি সুদের মতো গুণে গুণে কমিশন খান কর্তারা’

বিশেষ সংবাদ

- Advertisement -

ঘুষ আর অনিয়মই, যেনো নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরে। যিনি যখন সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পান, তিনিই হয়ে ওঠেন দুর্নীতি-অনিয়মের প্রধানতম কর্তাব্যক্তি। চেয়ারে বসে শুরুতেই ব্যাপক রদবদলের মাধ্যমে, পছন্দের কর্মকর্তাদের নিজের কাছে বদলি করে নিয়ে আসেন। তাদের মাধ্যমেই নিয়মিত কমিশনের টাকা ভাগ বাটোয়ারা করেন। তাদের ম্যানেজ করেই কখনো জি কে শামীম, আবার কখনো সাইফুজ্জামান চৌধুরী জুয়েলের মতো ঠিকাদাররা বাগিয়ে নেন বড় বড় প্রকল্পের কাজ।

এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম বা জি কে শামীম। এই মুহূর্তে গণমাধ্যমের আলোচিত এক চরিত্র। যাকে ঘিরেই বেড়িয়ে আসতে শুরু করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য।

আলোচিত এ ঠিকাদারের কাছ থেকে মহাজনি সুদের মতো গুণে গুণে কমিশন নিতেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। রাজাকার গোলাম আযমের ভাগ্নে পরিচয়দানকারী সংস্থার সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের হাত ধরেই মূলত জি কে শামীমের গণপূর্তে উত্থান। একই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. সাহাদাত হোসেন। তবে এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগে প্রধান প্রকৌশলীর হয়ে কমিশন ওঠাতেন সংস্থার তদন্ত কোষের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হক মধু ও সাভার জোনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শংকর কুমার মালো। বর্তমানে এই দায়িত্বে রয়েছেন সংস্থার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী উৎপল কুমার। অভিযোগের বিষয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গত দুই দিন যোগাযোগ করা হলেও তারা ক্যামেরা এড়িয়ে যান।

মূলত এসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই কখনো জি কে শামীম, কখনোবা সাইফুজ্জামান চৌধুরী জুয়েলের মতো ঠিকাদাররা গণপূর্তের বড় বড় প্রকল্পগুলোর কাজ হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ ঠিকাদাররা।

- Advertisement -
- Advertisement -

আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বাধিক পঠিত