ফিচার, ফিচার ও

কারবালা প্রান্তর

জাবের হাসান

কারবালা মধ্য ইরাকের একটি শহর। এটি বাগদাদের ৬২ মাইল দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত। এই শহর কারবালা প্রদেশের রাজধানী। ২০১৫ সালের হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা প্রায় ৭,০০,০০০ জন।

কারবালার যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার কারণে এই স্থানটি বেশি পরিচিত। শিয়া মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি অতি পবিত্র জায়গা এই কারবালা। এখানে আছে ইমাম হুসেনের রওজা মোবারক। শিয়া মুসলিমেরা ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানসহ নানা জায়গা থেকে দলে দলে এখানে তীর্থে আসেন। ধারণা করা হয় প্রতিবছর এক কোটি লোক এখানে যাওয়া আসা করেন।

কারবালায়  ইমাম হুসেনের কবরের সাথে রয়েছে তার সৎ ভাই আব্বাসের কবর। তিনি কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসেইনের পতাকাবাহক ও কাফেলার প্রধান ছিলেন। সাফা এবং মারওয়া পাহাড়ের  মধ্যে যতটুকু দূরত্ব ইমাম হাসান ও আব্বাসের কবরের দূরত্ব ততকুকুই।

রাতের কারবালা। ছবিতে ইমাম হুসেন ও আব্বাসের কবর দেখা যাচ্ছে।

ইরাকের কুফা নগরীর কাছাকাছি ফোরাত নদীর তীরে যেখানে কারবালার যুদ্ধ হয়, সে প্রান্তরটি একটি উপকূলীয় বালুকাবেলা।

ইসলামের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তৎকালীন সময়ে বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল কুফা। হেজাজ, সিরিয়া ও ইরাকের ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে কুফায় যাতায়াত করতেন।

পরবর্তীকালে মুসলিম জাহানের চতুর্থ খলিফা হজরত আলী (রা.) পবিত্র মদিনা থেকে এ কুফাতে রাজধানী স্থানান্তর করেন। কুফাতে বসেই ইয়াজিদ সেনাপতি ও গভর্নর কুখ্যাত ওবাইদুল্লাহ ইবনে জিয়াদ কারবালার বিয়োগান্ত ঘটনার সূচনা করেন।

১৯ শতকের শেষার্ধে আব্বাস আল মুসাভির আঁকা ছবিতে কারবালার যুদ্ধ।

LIVE
Play
ছাত্র সংগঠনগুলোর আয়ের উৎস কী?
হলুদের গুণাগুণ
ভয়ঙ্কর গ্যাস এসএফ-সিক্স
বোকা পাখি ডোডো