20 C
Dhaka
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪

নতুন প্রেমের সম্পর্ক ভালো রাখতে করণীয়

বিশেষ সংবাদ

- Advertisement -

কেউ আপনাকে ভালোবাসে-এই অনুভূতি মনে আনন্দ জাগায়। সঙ্গীকে নিয়ে নানান স্বপ্ন ও জীবন পরিকল্পনা করা অস্বাভাবিক নয়। তবে সব কিছুর পরেও সচেতন থাকা জরুরি। নতুন সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করতে ইতিবাচক অনুভূতি বজায় রাখতে কিছু বিষয় মাথায় রাখা দরকার।

নতুন সম্পর্কে যা করা যাবে এবং যা করা যাবে না-এমন কিছু বিষয় সম্পর্কে জানিয়েছেন ভারতের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাহুল রাজ কাক্কার। তিনি বলেছেন, রোমান্টিক সম্পর্কের ৫টি ধাপ রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শারীরিক, মানসিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক দিকগুলোর ক্ষেত্রে মানুষ টান অনুভব করে। দ্বিতীয় পর্যায়ে মানুষ একে অন্যকে অনুভব করে। এটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সঙ্গীর আদর্শের সাথে সম্পর্কিত। এরপর একটা পর্যায়ে একে অপরকে আরও গভীরভাবে জানার চেষ্টা করে। ব্যক্তিগত ইতিহাস, মূল্যবোধ এবং জীবনের লক্ষ্যগুলো মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এটা বন্ধন তৈরিতে সহায়তা করে। এই পর্যায়ে সম্পর্ক অনেক বেশি গুরুত্ব পায়। আর একে অপরের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। নিজেদেরকে প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এরপর সম্পর্কে ঘনিষ্টতা গভীর হয়। যোগাযোগ বাড়ে। একে অপরের প্রতি দুর্বলতা অনূভব করেন।

একটি সম্পর্ক ভালো রাখতে এবং সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করতে খোলামেলা ও সৎ যোগাযোগ রাখা জরুরি। সঙ্গীর সাথে চিন্তা, অনুভূতি ও প্রত্যাশা ভাগাভাগি করা প্রয়োজন। ব্যক্তিগত বোধ ও সীমারেখার প্রতি সম্মানবোধ রাখতে হবে। একে অপরের প্রতি সম্মানবোধ ও ব্যক্তিগত সীমারেখা রক্ষা অঙ্গীকার রক্ষার পথের বাধা কমায়।ভালো সম্পর্কের ভিত্তি হল বিশ্বাস। তাই নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হয়ে ওঠা আর তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন। সঙ্গীর সাথে গুণগত সময় কাটানোর চেষ্টা থাকা সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক। সঙ্গীর গুণাবলী ও প্রচেষ্টার মূল্যায়ণ করা এবং তার প্রশংসা প্রকাশ করা উচিত। এর জন্য কোনো বিশেষ অনুষ্ঠান বা দিনের জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। প্রশংসা করা ও একসাথে সময় কাটানো মনের অন্তরঙ্গতা বাড়ায়।

তবে সম্পর্কে কিছু বিষয় আছে যেগুলো এগিয়ে চলা উচিত। সঙ্গীর চিন্তা বা অনুভূতি অনুমান করা ঠিক নয়। কোনো বিষয়ে প্রশ্ন জাগলে সেটা নিয়ে খোলামেলা কথা বলা সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখে। সম্পর্ককে স্বাভাবিকভাবেই বিকশিত হতে দেওয়া উচিত। তাড়াহুড়া করে কোনো প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ হওয়া ঠিক না। মনে রাখতে হবে, ধীর চিত্ত বরাবরই বিজয়ী হয়। সম্পর্কে বেশি মনোযোগ দিতে গিয়ে নিজের প্রতি অবহেলা করা যাবে না। ব্যক্তিগত যত্ন ও সম্পর্ক- এই দুয়ের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। অন্যের সাথে সঙ্গীর তুলনা করা ঠিক নয়। এতে সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। সম্পর্কে কোনো সতর্কতার লক্ষণ দেখা দিলে, সেটার প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত। অনেক সময় সম্পর্কে অবহেলার কারণে সঙ্গীর জীবনে ভিন্ন চিন্তাভাবনার অবকাশ তৈরি হয়, যা সম্পর্কের সমাপ্তি পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

- Advertisement -
- Advertisement -

আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বাধিক পঠিত