20 C
Dhaka
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪

কে হচ্ছেন টাইগারদের কোচ?

বিশেষ সংবাদ

Rabi Shankar Das
Rabi Shankar Dashttp://www.nagorik.com
Rabi Shankar Das is a Social Media Expert, Writer & Digital Journalist. He is working in Bangladesh's Entertainment & News Media industry since 2018.
- Advertisement -

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নতুন কোচ খুঁজছে, এটা পুরনো খবর।  নতুন খবর হল  ইতিমধ্যেই আগ্রহী কোচদের সাথে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে ক্রিকেট বোর্ড।  কোচের তালিকায় আছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে পরিচিত মুখ সাবেক কোচ রিচার্ড পাইবাসের নামও। শুধু পাইবাস নন, তালিকায় আরো তিন-চারজন আছেন। তাতে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার ফিল সিমন্স এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক খেলোয়াড়, কোচ ও নির্বাচক জিওফ মার্শ।  ইতিমধ্যে পাইবাস ঢাকায় চলে এসেছেন ইন্টারভিউয়ের জন্য।  কোচ হিসাবে কে মনোনীত হবেন সেটা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। পাইবাসকে  নিয়ে আলোচনা বেশি হলেও সিমন্সের বাক্সে ভোট দিয়েছিলেন জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ কোচদের পরিচিতি সংক্ষেপে ‍তুলে ধরা হলো,

রিচার্ড পাইবাস

২০১২ সালে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন এই ইংলিশ বংশোদ্ভূত ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব। সেবার অবশ্য তার কাজের মেয়াদ ছিল মাত্র চার মাস। কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েও ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মাত্র সাড়ে চার মাস পরেই তিক্ত স্মৃতি নিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন পাইবাস।

বিসিবি শর্ত দিয়েছিল, জাতীয় দলের সঙ্গে তাঁকে বছরে ৩২০ দিন থাকতে হবে। এই শর্তই মেনে নিতে পারেননি পাইবাস। প্রধান কোচ হিসেবে দলের পরিচালনার চাবি পুরোপুরি নিজের হাতে রাখতে চেয়েছিলেন তিনি। কম্পিউটার বিশ্লেষণ-পদ্ধতির পরিবর্তন থেকে খেলোয়াড়দের জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে মাংস আমদানির দাবি করেছিলেন পাইবাস। তার সেইসব প্রস্তাবে সম্মত হয়নি বোর্ড। আনুষ্ঠানিক বিদায়ও না নিয়ে ছুটি কাটানোর এক পর্যায়ে জানিয়েছিলেন, আর ফিরছেন না বাংলাদেশে।

ফিল সিমন্স

ওয়েস্ট ইন্ডিজের  এই সাবেক ক্রিকেটার এর আগে কাজ করেছেন জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইণ্ডিজ, নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের প্রধান কোচ হিসেবে। ২০০২ সালে সকল স্তরের ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিংয়ের সাথে সম্পৃক্ত হন তিনি। ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পান। কিন্তু দুর্বলতম জিম্বাবুয়ে দলের সাফল্য প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়। সিমন্স কিছুদিন আগেও ভারতের কোচ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। আফগানিস্তান দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন ফিল সিমন্স ।

কোচ নয়, পরামর্শক হচ্ছেন কারস্টেন

জিওফ মার্শ

অস্ট্রেলিয়ার নর্দামে জন্মগ্রহণকারী সাবেক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারের কোচিং ক্যারিয়ার অনেক পুরনো। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের পক্ষে ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান এবং দক্ষ ফিল্ডার হিসেবে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন জিওফ মার্শ। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেন। পরবর্তীতে ২০০১-২০০৪ সাল পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন। কিন্তু তাঁর কোচের মেয়াদ মাত্র চার মাস টেকে। ডিসেম্বর, ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে শ্রীলঙ্কার টেস্ট এবং একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজে পরাজয়ের কারণে চাকুরী থেকে ইস্তফা দিতে হয়েছিল মার্শকে।

খালেদ মাহমুদ সুজন

আনুষ্ঠানিক ভাবে না বললেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে কাজ করার একটা স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। ক্রিকেট দলের কোচ নিয়োগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতায় তিনি জানান, সদ্য বিদায়ী কোচ হাথুরুসিংহের অনেক টেকনিকই জানা আছে তার। তাই কোচের দায়িত্ব পেলে ‘মন্দ’করবেন না; রয়েছে সেই আত্মবিশ্বাসও । সুজনের মতে, ‘বাংলাদেশের এখনকার উন্নতির জন্য আগের কোচের অবদান রয়েছে। সুযোগ পেলে দল নিয়ে কাজ করা আমার জন্য সুবিধাজনক হবে। কারণ আমি তার (হাথুরুর) অনেক কৌশল জানি।’

 

জাআ//

 

- Advertisement -
- Advertisement -

আরও পড়ুন

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বাধিক পঠিত