ফিচার ও, বাংলাদেশ, ভ্রমণ , , , , ,

ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন চন্দ্রনাথ

তাহমিনা সঙ্গীতা

একটু ফুসরত পেলেই মানুষ এখন ছুটে বেড়ায় দেশ থেকে দেশান্তরে। অবকাশ যাপন করতে খুঁজে বেড়াই এমন সব জায়গা যেখানে গেলে মিলবে অনাবিল প্রশান্তি। এমনই প্রশান্তির জায়গা সীতাকুণ্ড।

সীতাকুণ্ড শহর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই পৌঁছে যাবেন চন্দ্রনাথ পাহাড়ে। আর এই দুই কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিতেও কষ্ট হবেনা। কারণ যেতে যেতে রাস্তার দুই ধারে পড়বে অনেক পুরোনো মন্দির। প্রায় আড়াইশো মন্দির রয়েছে এই ছোট্ট জায়গাটিতে। আর ১২০০ ফুট পাড়ি দিয়ে যারা চন্দ্রনাথ মন্দিরের চূড়ায় পৌঁছুতে পারবেন তাদের জন্য অপেক্ষা করছে সবুজ পাহাড়ি বনভূমির বিশালতা।

এই পাহাড়ের গা বেয়ে উঠতে বেশ কষ্টই হবে। কিন্তু একবার  উঠে গেলে তখন সে কষ্ট পরিণত হবে প্রশান্তিতে। উঠতে উঠতে দেখতে পাবেন ঝর্ণা, নানারকম গাছ-গাছালি। শুনতে পাবেন নানা জাতের পাখির কলতান।

পাহাড়ের উপর বিরূপাক্ষ মন্দির দেখে চন্দ্রনাথ মন্দিরের জন্য পাড়ি দিতে হবে আরো ১৫০ ফুট রাস্তা। যার বেশিরভাগই উঠতে হবে খাড়া পাহাড়ের ঢাল ঘেঁষে। একদিকে ঘন পাহাড়ি সবুজ, আর অন্যদিকে সমুদ্র। সেই সাথে ঘন কুয়াশার মতো কিছুটা মেঘময় চারদিক।

এই চন্দ্রনাথ পাহাড় ছাড়াও সীতাকুণ্ডে পেয়ে যাবেন ঝরঝরি ঝর্ণা, কমলদহ ঝর্ণা, সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ইত্যাদি। অর্থাৎ একটি জায়গায় পেয়ে যাবেন ঝর্ণা, পাহাড়, সমুদ্র সৈকত, লেক সহ প্রাচীন  স্থাপনা। সব মিলিয়ে এই সৌন্দর্য আসলে না দেখলে উপলব্ধি করা সম্ভবনা। তাই এই গরমে শত ক্লান্তি আর জটিলতাকে পেছনে ফেলে ঘুরে আসতে পারেন সীতাকুণ্ড। জীবনে একটু অ্যাডভেঞ্চার না হলে কি চলে!

 

তাস/মার

LIVE
Play
ছুটিতে ওবামা যে বইগুলো পড়বেন
বাণিজ্যযুদ্ধের লাভ-ক্ষতি
৭০ বছরের পুরোনো ভূতুড়ে ছবির রহস্য!
উসাইন বোল্টের গতির তুলনা!