32.4 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ১৪:৩৬ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পিকে-শাকিরার প্রাসাদসম বাড়ি কিনছেন ইয়ামাল

মাত্র ১৮ বছর বয়স। আর এই বয়সেই বিশ্ব ফুটবলের তারকা খেলোয়াড়দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন লামিনে ইয়ামাল। একইসঙ্গে শীর্ষ পারিশ্রমিক পাওয়া জনপ্রিয় ফুটবলারও তিনি।

এ তারকা ফুটবলার সাধারণত খেলা নিয়েই শিরোনামে জায়গা করে নেন। এবার নতুন এক খবরে আলোচনায় উঠে এসেছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল পাইসের বরাতে গোল ডটকম জানিয়েছে, ১ কোটি ১০ লাখ ইউরোয় (১৫৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা) বার্সোলোনা শহরে একটি প্রাসাদসম বাড়ি কিনতে যাচ্ছেন ইয়ামাল।

তরুণ এ ফুটবলারের কিনতে যাওয়া এই প্রাসাদসম বাড়িতে একসময় বার্সা কিংবদন্তি জেরার্দ পিকে ও তার সাবেক প্রেমিকা পপ তারকা শাকিরা থাকতেন। পিকে ও শাকিরার সম্পর্ক শুরু হয় ২০১০ সালে। আর বাড়িটি তৈরি করা হয় ২০১২ সালে। তারপর থেকে এই তারকা জুটি ২০২২ সালে বিচ্ছেদের আগপর্যন্ত ওই বাড়িতেই থেকেছেন। তাদের বিচ্ছেদের পরই বিক্রির জন্য তোলা হয় প্রাসাদসম সেই বাড়িটি।

ইয়ামালের কিনতে যাওয়া বাড়িটি ৩৮০০ বর্গমিটারজুড়ে বিস্তৃত। এতে রয়েছে তিনটি ভবন, একটি মূল বাড়ি এবং দুটি আলাদা বাসভবন। আবার রয়েছে ইনডোর ও আউটডোর সুইমিংপুল, টেনিস কোর্ট, জিমনেশিয়াম, একাধিক চত্বর এবং একটি রেকর্ডিং স্টুডিও।

প্রথম দিকে তিনটি ভবন মিলে সম্পত্তিটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো (প্রায় ২০০ কোটি টাকা), যা ২০২২ সালে বিক্রির উদ্দেশে বাজারো তোলা হয়। কিন্তু পরে এর একটি ছোট ভবন বিক্রি হওয়ায় মোট দাম থেকে ৩০ লাখ ইউরো (৪২ কোটি ৭২ লাখ টাকা) কমানো হয়। এতে এর মূল্য দাঁড়ায় ১ কোটি ১০ লাখ ইউরো (১৫৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা)।

দুটি ভবনে ছয়টি শয়নকক্ষ ও পাঁচটি বাথরুম রয়েছে। আর এই বাড়িটি কেনার জন্য বেশ আগ্রহী ইয়ামাল। পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী সাজাতে চান বাড়িটি। এ জন্য কিছু অর্থ সংস্কারকাজে ব্যয় করতে রাজি তিনি।দুটি ভবনে ছয়টি শয়নকক্ষ ও পাঁচটি বাথরুম রয়েছে। আর এই বাড়িটি কেনার জন্য বেশ আগ্রহী ইয়ামাল। পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী সাজাতে চান বাড়িটি। এ জন্য কিছু অর্থ সংস্কারকাজে ব্যয় করতে রাজি তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরা হলো না আফগান নারীদের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন