২২/০২/২০২৬, ১৮:০৭ অপরাহ্ণ
27.3 C
Dhaka
২২/০২/২০২৬, ১৮:০৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

অফ-স্ক্রিনে আমাদের রসায়ন খুব চমৎকার : কেয়া পায়েল

ছোট পর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। একের পর এক দর্শকপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের নতুন কাজ, শুটিং সেটের অভিজ্ঞতা এবং দর্শক প্রতিক্রিয়া নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

বিজ্ঞাপন

সুব্রত সঞ্জীবের পরিচালনায় নতুন একটি নাটকে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল, যেখানে তার বিপরীতে রয়েছেন মুশফিক আর ফারহান। নাটকের বিষয়ে পায়েল বলেন, ‘এই গল্পটি খুবই চমৎকার একটা প্লটে করা। আমাদের এখানে কিছু পারিবারিক কোলাহল আছে যা দর্শক খুব মজা পাবে। আমার চরিত্রটি বেশ ইন্টারেস্টিং, আমি আমার জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

নিজের চরিত্রের নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করে তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু দৃশ্যে দেখে হয়তো মানুষ বলবে- আল্লাহ, মেয়েটা তার শাশুড়ির সাথে এরকম কেন করছে! তবে গল্পটি সম্পূর্ণ দেখলে দর্শকদের অবশ্যই ভালো লাগবে। আমি সবসময় চেষ্টা করি পরিবার নিয়ে দেখার মতো গল্প ও চরিত্রে কাজ করতে।’

বর্তমানে ‘আমাদেরই গল্প’ নাটকের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। নাটকে তার চরিত্রের নাম ‘মেহরিন’। দর্শক এখন তাকে আসল নামের চেয়ে চরিত্রের নামেই বেশি ডাকছে। এ প্রসঙ্গে পায়েলে ভাষ্য, ‘আমি রাজ (পরিচালক) ভাইয়াকে বলছিলাম, এত নাটক করেছি কিন্তু কখনো চরিত্রের নামে কেউ ডাকেনি। এখন ছবির নিচেও মানুষ মেহরিন বা সামির-ফাহাদ নামে কমেন্ট করে। একজন শিল্পী হিসেবে এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।’

শুটিং সেটের পরিবেশ নিয়ে পায়েল জানান, পরিবারের চেয়েও বেশি সময় তাদের সেটে কাটাতে হয়। তাই শুটিং ইউনিটও এখন তার কাছে একটি পরিবার। সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক কাজের গতি বাড়িয়ে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অফ-স্ক্রিনে আমাদের রসায়ন খুব চমৎকার। সুনেরাহর সাথে জামাকাপড় নিয়ে গল্প করি, সাজ্জাদ ভাইকেও বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞেস করি। কাজের জায়গাটা আপন না হলে আসলে প্রাণখুলে অভিনয় করা সম্ভব হয় না।’

পড়ুন:লুক নিয়ে ট্রলের মুখে নুসরাত ফারিয়া

দেখুন:বানিয়ে ফেললো ইরান, শুধু ঘোষণার অপেক্ষা!

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন