১০/০২/২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

অসামাজিক কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক ৫

নীলফামারীর সৈয়দপুরে চিহ্নিত দেহ ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে আসামাজিক কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দালালসহ ৫ জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় শহরের ঢেলাপীর উত্তরা আবাসন সংলগ্ন পুলপাড়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, খুলনার দিঘলিয়া নুরনগর বিশ্বাসপাড়ার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী তানিয়া আক্তার (২৫), দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর এলাকার পূর্বপাড়ার আফসার আলীর মেয়ে সুলতানা বেগম (৩২), খুলনা জেলা সদরের সোনাডাঙা এলাকার কাওসারের স্ত্রী বৃষ্টি বেগম (২১), ঢাকার যাত্রাবাড়ী কাজলা স্কুলের গলি এলাকার মৃত রাকিবের মেয়ে রিনা আক্তার (১৯), বাগেরহাটের স্মরণখোলা মধ্য বানিয়াখালী এলাকার ইয়াকুব হাওলাদারের স্ত্রী সুমি বেগম ওরফে শিউলি (৩০) ও তাদের দালাল বরিশালের গৌরনদী বাঙ্গিলা এলাকার কবির সরদারের ছেলে কাওসার সরদার (২৪)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উল্লেখিত এলাকার বুলবুল নামে এক ব্যাক্তি কিছু অসাধু লোকজনকে ম্যানেজ করে তার বাসায় দীর্ঘদিন থেকে পতিতা এনে প্রকাশ্যেই দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ এলাকার লোকজন এরুপ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে একাধিকবার নিষেধ করেন। কিন্তু কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে এই অবৈধ কারবার অব্যাহত রাখেন তিনি। এতে এলাকার সচেতন মানুষের মাঝে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।

পরে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এলাকাবাসী প্রশাসনকে অভিযোগ দেয়। তারপরও কোন কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে এই অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে উল্লেখিত সময়ে এক দালালসহ ৫ জন পতিতাকে হাতনাতে আটক করে তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী আটককৃতদের পুলিশে সোপর্দ করেন।

সৈয়দপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অসামাজিক কাজের সাথে জড়িত থাকাত অভিযোগে ৫ জনকে আটক করে থানায় আনা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ২৯০ ধারায় মামলা দায়ের করর তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: নীলফামারীতেই হচ্ছে চীনের এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল- বিভাগীয় পরিচালক

দেখুন: পুলিশের সাথে সংঘ*র্ষ: পুরুষশূন্য একটি গ্রাম!

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন