34 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ১৫:৪১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়াকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ভারত। ফাইনালে উঠতে ভারতের সামনে লক্ষ্য ছিল ২৬৫ রান। কোহলির রাজকীয় ব্যাটিংয়ে লক্ষ্যে পৌছতে তেমন বেগ পেতে হয়নি ভারতকে।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে ভারত-অস্ট্রেলিয়া। ভারতের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের বিপরীতে রানের চাকা সচল রাখার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া উইকেটও হারাতে থাকে নিয়মিত বিরতিতে। ম্যাচের মধ্যে মনে হয়েছিল দুবাইয়ের মন্থর উইকেটেও তিনশ রান পেরিয়ে যাবে অস্ট্রেলিয়া। তবে স্মিথকে ফিরিয়ে রানের গতিতে লাগাম টানে ভারত। প্রথম ইনিংসে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রানের ইনিংস খেলেছেন অধিনায়ক স্মিথ।

ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে কুপার কনোলিকে ফেরান মোহাম্মদ শামি। উইকেট ওপেনার ম্যাথু শর্ট ছিটকে যাওয়ায় কনোলিকে খেলানো হয়েছিল ওপেনিংয়ে। তবে ভারতের বিপক্ষে নকআউট পর্বের ম্যাচে ৯ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি।

৪ রানে প্রথম উইকেট হারালেও অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ট্রাভিস হেড আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন। তবে ভারতের এই মাথাব্যথা বাড়তে দেননি বরুণ চক্রবর্তী। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে বরুণকে তুলে মারতে গিয়ে হেড লং অফে শুবমান গিলের তালুবন্দী হয়েছেন। ৩৩ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৩৯ রান করেন হেড।

দুই ওপেনারের বিদায়ে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর হয়ে যায় ৮ দশমিক ২ ওভারে ২ উইকেটে ৫৩ রান। মারনাস লাবুশেনকে নিয়ে এরপর ধীরেসুস্থে এগোতে থাকেন স্মিথ। তৃতীয় উইকেটে এই জুটি গড়ার পথে স্মিথ দুইবার জীবন পেয়েছেন। ১৪তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলের বল স্টাম্পে আঘাত করলেও বেল পড়েনি। তখন স্মিথের রান ২৩। ব্যক্তিগত ৩৬ রানে আবার জীবন পান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক।২২তম ওভারের চতুর্থ বলে কট এন্ড বোল্ড সুযোগ মিস করেছেন মোহাম্মদ শামি।

স্মিথ বেঁচে যাওয়ার ঠিক পরের ওভারে ফেরেন মারনাস লাবুশেন। ২৩তম ওভারের তৃতীয় বলে লাবুশেনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে জুটি ভাঙেন রবীন্দ্র জাদেজা। তৃতীয় উইকেটে স্মিথ-লাবুশেনের জুটিতে ৮৫ বলে এসেছে ৫৬ রান। একপ্রান্তে স্মিথ রানের চাকা সচল রাখলেও জস ইংলিস (১১) ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ইংলিসকেও ফিরিয়েছেন জাদেজা।

লাবুশেন, ইংলিস দু্ই ব্যাটারকে জাদেজা ফেরালে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর হয়ে যায় ২৭ ওভারে ৪ উইকেটে ১৪৪ রান। পঞ্চম উইকেটে ৫৮ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়েন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি। ৩৭তম ওভারের চতুর্থ বলে শামির ফুলটস বল কাভার ড্রাইভ করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন স্মিথ। ৯৬ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৭৩ রান করেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। সাত নম্বরে নামা ম্যাক্সওয়েল একটা ছক্কা মারলেও করেছেন মাত্র ৭ রান।

৭ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারালে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর হয় ৩৭.৩ ওভারে ৬ উইকেটে ২০৫ রান। একপ্রান্ত আগলে রেখে ক্যারি খেলতে থাকেন নিজের মতো করে। বাজে বল পেলে সেগুলোকে বাউন্ডারিতে পরিণত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি ব্যাটার। ৫৭ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৬১ রান করেন ক্যারি। ৪৮তম ওভারের প্রথম বলে হার্দিক পান্ডিয়াকে লেগ সাইডে ঠেলে দুই রান নিতে গিয়ে রান আউটের ফাঁদে কাটা পড়েন ক্যারি। স্ট্রাইকপ্রান্তে ডিরেক্ট থ্রোতে স্টাম্প ভেঙে দেন আইয়ার।

অস্ট্রেলিয়া অবশ্য পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারেনি। ৪৯.৩ ওভারে ২৬৪ রানে গুটিয়ে যায় দলটি। শেষ ওভারের তৃতীয় বলে অ্যাডাম জাম্পাকে বোল্ড করে অজিদের ইনিংসের ইতি টানেন হার্দিক পান্ডিয়া। স্মিথের ৭৩ রানই অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের সর্বোচ্চ। ভারতের মোহাম্মদ শামি ১০ ওভারে ৪৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। জাদেজা, বরুণ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে কার প্রতিপক্ষ কে?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন