১২/০২/২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

আইসক্রিম বিক্রির টাকা দিয়ে সিনেমা দেখতে যেতাম: জায়েদ খান

ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানেই ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে পরস্পরকে বুকে টেনে নেওয়ার উজ্জ্বলতম দিন। বছর ঘুরে আবারও এসেছে ঈদ। চারদিকে শুরু হয়েছে খুশি আর আনন্দের বন্যা।

বিজ্ঞাপন

এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিনোদন অঙ্গনে লেগেছে আনন্দের ছোঁয়া। অনেকেই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে গিয়েছনে নিজেদের গ্রামের বাড়ি। আবার অনেকেই আছেন দেশের বাইরে। সেই কাতারে আছেন ঢাকাই সিনেমার নায়ক জায়েদ খান। 

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের আগে থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তবে বাংলাদেশে সরকার পতনের পর মাতৃভূমিতে ফেরার ইচ্ছা থাকার পরও সেটি আর হয়ে ওঠেনি এ নায়কের। যুক্তরাষ্ট্র থেকেই ঈদ নিয়ে আরটিভির সঙ্গে আলাপ হলো অভিনেতার। 

আরটিভি: দেশের বাইরে কোরবানি ঈদ কিভাবে কাটালেন? 

জায়েদ খান: ঈদের নামাজ পড়ে দেশের পরিচিতজন এবং সহকর্মীদের অনেকের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে তাদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েই সময় কেটেছে। তবে দেশে থাকলে ঈদের দিন বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করতে যেতাম। এখন সেটাও মিস করছি। ভাই-বোনদের মিস করছি অনেক। দেশের মানুষ সবাইকে মিস করেছি। আসলে এখানে ঈদ ফিল হয় না। আমার কাছে ঈদের আনন্দ বলতে বুঝি পিরোজপুর। আমার পিরোজপুরের ঈদ সবচেয়ে বেশি মজার।

জায়েদ খান:  নামাজ পড়ে এসেই আমার যে মহল্লা ছিল আদর্শ পাড়া সেখানে বন্ধুরা মিলে আইক্রিম আর কোমল পানীয় স্টল দিতাম আর স্পিকারে গান বাজাতাম। বিকেলে যারা ঘুরতে বের হতো তাদের জোর করে আইসক্রিম দিয়ে টাকা নিতাম। আর সেই টাকা দিয়ে সিনেমা দেখতে যেতাম, সাইকেল ভাড়া করে সবাই মিলে ঘুরতাম। 

জায়েদ খান: আগের ঈদ আর এখনকার ঈদের মাঝে আকাশ পাতাল পার্থক্য। এখন অনেক বেশি দায়িত্ব বেড়েছে। শিল্পী হয়ে যাওয়ার পর জীবনটা আরও সংকোচিত হয়ে গেছে। এখন ঈদের আমেজটা আগের মত পাইনা। আমার ভাই-বোনের ছেলে-মেয়ের দিকে এখন তাকিয়ে থাকি, তাদের লাইফটাই ভালো লাগে।

ছোটবেলা ঈদে চিন্তাভাবনা ছাড়া ছিল, বার বার ড্রেস চেঞ্জ করে বাবা-মায়ের থেকে সালামি নিয়ে সাইকেল ভাড়া করে ঘুরে বেড়াতাম, সিনেমা দেখতে যেতাম। এখন বাবা-মা কেউ যেই, সেই আমেজ আর আনন্দও নেই। 

পড়ুন: সোনারগাঁয়ে নদী, খাল ও পুকুর রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী ‘হাঁস ধরা’ খেলা অনুষ্ঠিত

দেখুন: ছাত্রদল নেতা হ*ত্যার ঘটনায় উত্তপ্ত নরসিংদী 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন