বিজ্ঞাপন

আখাউড়ায় মহাশ্মশাণের জায়গা দখলের চেষ্টায় ক্ষুব্ধ হিন্দু সম্প্রদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার শ্রীশ্রী লোকনাথ সেবাশ্রম শান্তিবন মহাশ্মশাণের জায়গা দখলের চেষ্টা ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। ঘটনার সঙ্গে সরকারের এক কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকার অভিযোগও তুলেছেন তারা।

বৃহস্পতিবার রাতে এক প্রতিবাদ সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—শনিবার থেকে আখাউড়ার ২৫টি মন্দিরে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে, যা দুর্গাপূজা পর্যন্ত চলবে। এরমধ্যে দখলচেষ্টা বন্ধ না হলে আলোচনা সাপেক্ষে পূজা বন্ধ রাখার মতো কঠোর কর্মসূচিও গ্রহণ করা হতে পারে।

এদিকে পুলিশের বাধায় আপাতত দখল বন্ধ হলেও শ্মশাণ ঘিরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বুধবার দুপুরে জমি পরিমাপের সময় শ্মশাণের ভেতরে লাল পতাকা টানানো হলে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানান। পরে সন্ধ্যায় টিন ও বাঁশ এনে ঘর তোলার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ তা থামিয়ে দেয়।

রাতে রাধামাধব আখড়ায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন আখড়া পরিচালনা কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার ঘোষ। সভায় পূজা উদযাপন পরিষদসহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতারা দ্রুত লাল পতাকা অপসারণ এবং আদালতের আদেশের যথাযথ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

শ্মশাণ কমিটির সভাপতি হিরালাল সাহা বলেন, “জমি পরিমাপ বিষয়ে আমাদের অবহিত করা হয়নি। মামলাও চলমান। কিন্তু পরিমাপকে হাতিয়ার করে দখলের পথ তৈরি করা হচ্ছে।”

সেবাশ্রম ও মহাশ্মশাণের পূজারি আশীষ ব্রহ্মচারি অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের এক কর্মকর্তা প্রভাবশালী মহলের পক্ষ নিয়ে শ্মশাণ দখলের চেষ্টা করছেন।

তবে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা জানান, “রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে শুধু খাস জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। কাউকে জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। চাইলে শ্মশাণ কর্তৃপক্ষ আবেদন করতে পারে।”

এ ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: আখাউড়ায় ওষুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যুতে ড্রাগ এন্ড কেমিস্টদের কর্মবিরতি

এস/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন