বিজ্ঞাপন

আখাউড়ায় ক্রয়কৃত জমিতে দোকান নির্মাণে বাধা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রাধানগর মৌজায় নিজের বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমিতে দোকান নির্মাণ করতে গিয়ে চাঁদাবাজদের হুমকি ও হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন মোঃ হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর ) বেলা ১১টায় আখাউড়া উপজেলা মডেল মসজিদে এক সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ করেন।

বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে মোঃ হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া জানান, আখাউড়া উপজেলার রাধানগর-২৬ মৌজার এসএ ও বিএস খতিয়ানভুক্ত সর্বমোট ৬২ শতক জমি তিনি ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে একাধিক দলিলের মাধ্যমে সামছুদ্দিন আহাম্মদ গং-এর কাছ থেকে বৈধভাবে ক্রয় করেছেন। উক্ত জমির বিএস খতিয়ান, খারিজ খতিয়ান (নং ২৫-২৯০৮ ও ২৫-২৯৩১) এবং নামজারি সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন করও পরিশোধ করা হয়েছে। জমির সীমানা উপজেলা প্রশাসনের সার্ভেয়ার দ্বারা চিহ্নিত রয়েছে এবং তিনি শান্তিপূর্ণভাবে দীর্ঘদিন ধরে জমি ভোগদখল করে আসছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমি আমার বৈধ জমিতে বাউন্ডারি ওয়াল ও দোকান নির্মাণ শুরু করলে একটি চক্র আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। তারা হুমকি দিচ্ছে, চাঁদা না দিলে আমাকে নির্মাণ কাজ করতে দেবে না। যে কোনো সময় তারা আমার জমিতে আক্রমণ বা অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটাতে পারে।”

হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া আরও বলেন, জমিটি ১৯৮৬ সালে হাজী আমিনুল হক চৌধুরীর কাছ থেকে সামছুদ্দিন আহাম্মদ গং ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে জমিটি ক্রয় করে নিজ নামে নামজারি ও জমাখারিজ সম্পন্ন করেন। তবুও একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার বৈধ মালিকানাধীন জমিতে নির্মাণ কাজ বন্ধের চেষ্টা করছে।

তিনি এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেম্বার এলেম খান, পৌরশহরের বড়বাজার ব্যবসায়ি পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি মোতাহার হোসেন, ব্যবসায়ি হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ৫ শতাধিক রোগী পেলেন বিনামূল্যে চিকিৎসা

দেখুন: যশোরে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন