চাঁদের কক্ষপথ সম্পূর্ণ গোল নয়—বরং এটি কিছুটা উপবৃত্তাকার। তাই কখনো চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি আসে, আবার কখনো দূরে সরে যায়। যখন পূর্ণিমার সময় চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে, তখন সেটিকে বলা হয় সুপারমুন।
এই সময়ে চাঁদ সাধারণ পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় কিছুটা বড় এবং উজ্জ্বল দেখায়। চলতি সপ্তাহেই দেখা যাবে এ বছরের সবচেয়ে বড় সুপারমুন। ২০২৫ সালে পরপর তিনটি সুপারমুনের মধ্যে দ্বিতীয়টি দেখা যাবে বুধবার, ৫ নভেম্বর।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এই সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে প্রায় ৩,৫৭,০০০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করবে—যা ২০২৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী পূর্ণিমা। ফলে এটি হবে বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল সুপারমুন। এ সময়ের চাঁদ গড় পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ বড় এবং ১৬ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল দেখা যাবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পূর্ণিমার চাঁদ যখন পৃথিবীর নিকটতম বিন্দুর (পেরিজি) প্রায় ১০ শতাংশ দূরত্বের মধ্যে আসে, তখনই ঘটে সুপারমুন। চাঁদের কক্ষপথ ডিম্বাকৃতি হওয়ায় এর দূরত্ব সময়ভেদে পরিবর্তিত হয়—কখনো কাছাকাছি আসে, আবার দূরে সরে যায়।
বাংলাদেশের আকাশে বুধবার সূর্যাস্তের সময় পূর্ব দিগন্তে দেখা যাবে এই উজ্জ্বল চাঁদ। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে এর আলোকচ্ছটা আরও তীব্র হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বিশ্বের প্রায় সব দেশ থেকেই এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যাবে।
লাইভ সায়েন্স জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে বুধবার বিকেল ৬টা ১৯ মিনিটে সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে এই সুপারমুন। তবে এর আগে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ও পরে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাতেও প্রায় পূর্ণ ও উজ্জ্বল চাঁদ দেখা যাবে।
পড়ুন: তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে ফেসবুক ডেটিং
আর/


