আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব অক্সিজেন দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতিবছর ২ অক্টোবর দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য অক্সিজেন’।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অক্সিজেনকে জীবনদায়ী ওষুধ বলে বিবেচনা করছে। করোনা মহামারির ভয়াবহতা কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার আলোচনায় অক্সিজেন গুরুত্ব হারিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়িতে থাকা রোগীদের অক্সিজেন ব্যবহারের বিষয়ে মনোযোগী হওয়ার সময় এসেছে।
করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর ২০২০ সালের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অক্সিজেনের ঘাটতি নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। করোনার আগে দেশে দৈনিক ৫০ থেকে ৭০ মেট্রিক টন অক্সিজেনের প্রয়োজন হতো। মহামারির সময় এই চাহিদা আড়াই থেকে তিন গুণ বেড়ে যায়। একই সময় ভারত থেকে অক্সিজেন আসা বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যুর খবরও প্রকাশ পায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও অন্য দাতাদের সহায়তায় স্বাস্থ্য বিভাগ সারা দেশে ১২০টি সরকারি ও বেসরকারি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন লাইন চালু করেছিল। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে প্রায় ৩০ হাজার অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করা হয়। একপর্যায়ে অক্সিজেনের সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন নিশ্চিত করার দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার। ওই শাখার পরিচালক আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেশের কোনো হাসপাতালে অক্সিজেনের সংকট বা সমস্যা নেই। আপাতত সংকট বা সমস্যা দেখা দেওয়ার কোনো আশঙ্কাও নেই।’
এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব অক্সিজেন দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতিবছর ২ অক্টোবর দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য অক্সিজেন’। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) দিনটি পালন করবে ৭ অক্টোবর।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

