মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ১৪০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ জানান, যুদ্ধপরিস্থিতিতে আকাশপথ বন্ধের কারণে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৩৯টি এবং ৩ মার্চ আসন্ন ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সবমিলে মোট ১৪০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
আজকের বাতিল হওয়া ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে কাতারের ৪টি, এমিরেটসের ৪টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৪টি, কুয়েত এয়ারের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ১২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৪টি ফ্লাইট।
বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী সোমবার (২ মার্চ) বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ৫টি, গালফ এয়ার (বাহরাইন) ২টি, ফ্লাইদুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজ (কুয়েত) ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়া (শারজাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৮টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে জাজিরা এয়ারওয়েজের (কুয়েত) ২টি, এমিরেটস এয়ারলাইনস (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৫টি, গালফ এয়ার (বাহরাইন) ২টি, ফ্লাইদুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজ (কাতার) ২টি, সালাম এয়ার (ওমান) ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়া (শারজাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৮টি, কুয়েত এয়ারওয়েজ (কুয়েত) ২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স (বাংলাদেশ) ৪টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স (বাংলাদেশ) ৯টিসহ মোট ৪০টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
এছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারি এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ১টি, গালফ এয়ার (বাহরাইন) ১টি, ফ্লাইদুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ১টি, এয়ার অ্যারাবিয়া (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৩টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স (বাংলাদেশ) ৬টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স (বাংলাদেশ) ১১টি ফ্লাইটসহ মোট ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
পড়ুন: ১ মাসের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়ালো কাতার
আর/


