দিনাজপুরে নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নে দীর্ঘদিনের বৈষম্যের প্রতিবাদে দেশজুড়ে একযোগে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন। সংগঠনের আহ্বানে আজ রবিবার দুপুর ১২টায় দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সর্বশেষ ২০১৫ সালে ঘোষিত অষ্টম পে–স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হন। ২০ থেকে ১৯ গ্রেডে মাত্র ২০০–৩০০ টাকা, সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা বাড়লেও ১১ থেকে ১০ গ্রেডে পার্থক্য ছিল ৪০০০–৫০০০ টাকা পর্যন্ত। এমনকি কিছু গ্রেডে ১০ হাজার টাকারও বেশি পার্থক্য রয়েছে।
বক্তারা বলেন, পে–স্কেল সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর অন্তর দেওয়া হলেও ২০১৫ সালের পর নতুন স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়নি। সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা তখন থেকেই বৈষম্য দূরীকরণ ও নবম পে–স্কেলের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।
তারা আরও জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কর্মচারীরা বিশেষ আশাবাদী ছিলেন। সরকার বিভিন্ন বেসিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে মতামত নিলেও এখন বলা হচ্ছে যে বর্তমান সরকারের সময় পে–স্কেল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বক্তারা এ অবস্থায় তীব্র নিন্দা জানান।
অনলাইন বৈঠকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে আজকের মানববন্ধনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন—মো. নুরুজ্জামান, সভাপতি,জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদ।
মো. আব্দুল হাকিম লেবু, সাধারণ সম্পাদক জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদ।
জিল্লুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক
নুরুল আমিন, সদস্য
বেলাল হোসেন, সদস্য
বক্তারা ঘোষণা করেন, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে বৈষম্য নিরসন না করে তাহলে নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।


