বিজ্ঞাপন

আফগানিস্তানকে হেসেখেলে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের চার জনই স্পর্শ করলেন পঞ্চাশ। তাদের একজন করলেন সেঞ্চুরি। আফগানিস্তানের প্রথম পাঁচ জনের মধ্যে একজন পঞ্চাশ ছাড়াতে পারলেও বাকিরা যেতে পারলেন না বিশ রানেও। দুই দলের পার্থক্যও ফুটে উঠল এতে। রান তাড়ায় পাত্তাই পেল না আফগানরা। বড় জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শুভসূচনা করল প্রোটিয়ারা।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে রায়ান রিকেলটনের অনবদ্য সেঞ্চুরি এবং রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও এইডেন মার্করামের ফিফটিতে ৩১৫ রানের বড় সংগ্রহ দাড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্য তাড়ায় প্রোটিয়া বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২০৮ রানে থামে আফগানিস্তান

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। ব্যক্তিগত ১০ রানে গুরবাজ ও ১৬ রানে জাদরান সাজঘরে ফেরেন। পরবর্তী ব্যাটার সাদিকুল্লাহ আটাল ১৬ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। মিডল অর্ডার ব্যাটার রহমত শাহই একমাত্র লড়াই চালিয়ে গেছেন। চারে নেমে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। এর মাধ্যমে ২০৮ রানে থামে আফগানদের ইনিংস। রহমত শাহ ৯২ বলে ৯ চার ও এক ছক্কার মারে ৯০ রানের ইনিংস খেলেন। বাকিদের কেউই ২০ রানের কোটা পূরণ করতে পারেনি।

প্রোটিয়া বোলারদের মধ্যে কাগিসো রাবাদা তিনটি ও ওয়াইন মুল্ডার, লুঙ্গি এনগিডি দুইটি করে উইকেট নেন।

আফগানিস্তানকে হেসেখেলে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই খুব নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার রিকেলটন ও টনি ডি জর্জি। যদিও ২৮ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা। রায়ান রিকেলটন ও টেম্বা বাভুমা মিলে গড়ে তোলেন ১২৯ রানের অনবদ্য জুটি।

অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাকে ২৯তম ওভারের ৪র্থ বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মোহাম্মদ নবি। আম্পায়ার আউটের আঙ্গুল তুললেও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান বাভুমা। কিন্তু পরের বলেই উড়িয়ে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের আগে সেদিকুল্লাহ অটলের হাতে ধরা পড়েন। ৭৬ বলে ৫৮ রান করে আউট হন তিনি।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি করতে ১০১ বল খেলেন রায়ান রিকেলটন। যদিও ১০৩ রান করেই রানআউট হয়ে যান তিনি। এরপর রাসি ভ্যান ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম’রা ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। ৪৬ বলে ৫২ রান করে আউট হন ডুসেন। ৩৬ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন মার্করাম।

ইনিংসের শেষ দুই বলে ফজলহক ফারুকিকে বাউন্ডারি এবং ছক্কা মেরে ১০ রান নিয়ে দলীয় স্কোর ৬ উইকেটে ৩১৫ রানে নিয়ে যান উইয়ান মুল্ডার। ৬ বল খেলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। মাঝে ডেভিড মিলার ১৪ রান করে আউট হন। আফগান বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ নবি দুইটি ও ফজলহক ফারুকি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও নুর আহমদ একটি করে উইকেট নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাদা ৩৬ রানে ৩টি ও লুঙ্গি এনগিদি ও উইয়ান মুলদার দুইটি করে উইকেট নেন।

দেখুন: শুরুতেই কি হোচট খেলো ছাত্রদের নতুন দল?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন