অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আমরা সেইফ এক্সিট চাইনা। স্বাভাবিক এক্সিট নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন পরবর্তী দেশেই থাকতে চাই। প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময় অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীসহ সরকারের শতভাগ প্রস্তুতি আছে। নির্বাচন সুষ্ঠু নিরেপক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্বভার হস্তান্তর করব। এতে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম ওলামা পরিষদ রাঙামাটি পার্বত্য জেলার আয়োজনে এই সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ওলামা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাওলানা হাজী শরীয়ত উল্লাহর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব সাদেক হোসেন, রাঙামাটি জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, জেলা পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ওলামা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মাওলানা মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মুজিবুর রহমান মুজিব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, জামায়াতে ইসলামী রাঙামাটি জেলা আমির আব্দুল আলীম, জেলা এনসিপির যুগ্ম-সমন্বয়কারী শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন বলেন, মনোবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রীতির কোনো বিকল্প নেই। রাঙামাটিতে ওলামা পরিষদের ঐক্য বিশেষভাবে প্রয়োজন। বিভেদ কমিয়ে সম্পর্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে একত্রে কাজ করতে হবে। রাঙামাটি একটি বৈচিত্র্যময় সমাজ—১৪টি জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত এই জেলার শ্রেণি বা জাতিগত বিভেদ যদি দূর না হয়, তাহলে এই বৈচিত্র্যই হানাহানিতে রূপ নিতে পারে।
পড়ুন : গুম ডকুমেন্টারিতে অংশ নিতে সিলেটের তামাবিল সীমান্তে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ


