চুল পড়া চুলের সবচেয়ে পরিচিত সমস্যার মধ্যে একটি। তাই একটি প্রশ্ন প্রায় সব সময়েই জিজ্ঞাসা করা হয় – আমলকির তেল কি চুল পড়া কমাতে বা রোধ করতে পারে? আমলকির তেলের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল প্রভাব রয়েছে যা মাথার ত্বকের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আমলকির তেল নিয়মিতভাবে ব্যবহার করলে ফলিকল স্ট্রেস বা খুশকির সঙ্গে সম্পর্কিত চুল পড়া কমাতে পারে। তবে, নিয়মিতভাবে ব্যবহার করলে আমলকির তেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে এমন নিয়ন্ত্রিত ক্লিনিকাল গবেষণা এখনও সীমিত।
আমলকির তেলের কিছু উপকারিতা জেনে নিন:
চুল ঘন করে
আমলকির তেল চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করে বলে মনে করা হয়। বলা হয়, এটি চুলের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে, যার ফলে চুল ঘন হয়। যারা ঘন চুল পেতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য উপকারী একটি তেল হতে পারে এই আমলকীর তেল।
এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে
আমলকিতে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতি চুলের খাদের মান উন্নত করে এবং চুল ভাঙা কমায়। এটি পরিবেশগত কারণ দ্বারা ক্ষতি থেকে চুলের স্বাস্থ্যকেও রক্ষা করে। চুল ভালো রাখতে তাই আমলকির তেল বেছে নিতে পারেন।
অকাল চুল পাকা রোধে সাহায্য করে
আমলকির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলো অকাল চুল পাকা রোধে সাহায্যকারী ঘাটতিগুলি মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে পারে। যারা অল্প বয়সেই চুল পাকার সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত আমলকীর তেল ব্যবহার করতে পারেন।
চুলের মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগায়
চুলের জন্য আমলকির তেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার মধ্যে একটি হলো এটি মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং শুষ্কতা দূর করে। এটি আপনার চুলকে খুশকি এবং চুলকানির মতো বিভিন্ন সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে
আমলকিতে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনার চুল এবং মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। তাই নিয়মিত আমলকির তেল ব্যবহার করলে এই উপকার পাবেন।
চুল ঝলমলে করে
আমলকি তেল চুলের ম্যাসাজের জন্য ব্যবহার করা হলে এটি আপনার চুলে একটি প্রাকৃতিক ঝলমলে ভাব যোগ করতে পারে। নিয়মিত এই তেল চুলে ব্যবহার করলে তা চুলকে মসৃণ এবং দীর্ঘ গঠন দিতে পারে।
পড়ুন: কোয়ান্টামের সম্মাননা পেলেন তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতা
আর/


