শুধু রাজধানীতে নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আয়নাঘর ছিল এবং তার সবকয়টা খুঁজে বের করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে এ কথা জানান তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশে যত আয়নাঘর আছে সব খুঁজে বের করা হবে।এটা ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছিল।
এদিকে, আজ দুপুরে ঢাকার তিনটি আয়নাঘর পরিদর্শন শেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও বলেন, ‘এরকম টর্চার সেল সারা বাংলাদেশ জুড়ে আছে। আমার ধারণা ছিল, শুধু এখানে আয়নাঘর বলতে কয়েকটা আছে। এখন শুনতেছি, আয়নাঘরের বিভিন্ন ভার্সন সারা দেশজুড়ে আছে। কেউ বলে ৭০০, কেউ বলে ৮০০। সে সংখ্যাটা এখনো নিরূপণ করা যায়নি, কতটা জানা আছে, কতটা অজানা আছে।’

তিনি বলেন, ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত নামে একটা কথা আছে। বিগত সরকার আইয়ামে জাহেলিয়াত প্রতিষ্ঠিত করে গেছে সর্বক্ষেত্রে। আয়নাঘর তার একটা নমুনা।
শফিকুল আলম বলেন, ‘গুম কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশেষ বাহিনীর যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা করার পরও গ্রেপ্তার করা হয়নি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সময় হলে দেখা যাবে।’
গুম-খুনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যারা জড়িত ছিল তাদের বিচার হবে বলেও উল্লেখ করেন শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘কার নির্দেশে এসব ঘটনা ঘটেছে তা জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। কেউ মুক্তি পাবে না। শেখ হাসিনা প্রধান। ওনার নির্দেশে এসব হয়েছে।’
শফিকুল আলম দাবি করেন, ‘মাত্র ছয় মাসে গুম-খুনের বিষয়ে সরকার যা করেছে, তা সরকারের বিরাট সফলতা।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার বলেন, জাতিসংঘের সুপারিশ পরীক্ষা ও বিবেচনা করে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তা দেখবে সরকার।
আজাদ মজুমদার জানান, প্রধান উপদেষ্টা আজই দুই দিনের সফরে আরব আমিরাত যাচ্ছেন। শুক্রবার দেশে ফিরবেন তিনি।
আরব আমিরাত সফর নিয়ে আজাদ মজুমদার বলেন, ‘সফরে সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা হবে।
পড়ুন:আয়নাঘর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছিল, খুঁজে বের করা হবে: প্রেস সচিব
দেখুন:ভোলায় প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে গ্রেপ্তার ২ |
ইম/


