বিজ্ঞাপন

আয়েশা টাকিয়ার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বন্দুক উঁচিয়ে মারামারি এবং গুলি চালানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী আয়েশা টাকিয়ার স্বামী তথা সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক আবু আজমিরের ছেলে ফারহান আজমিরের বিরুদ্ধে গোয়াতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এটি ঘটেছে সোমবার (৩ মার্চ) রাতে, গোয়ার ক্যান্ডোলিম সমুদ্র সৈকতে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফারহান ও তার দলের সদস্যদের এবং অন্য একটি দলের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি শুরু হলে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে, ফারহান তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক বের করে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সদস্যদের গুলি চালানোর হুমকি দেন।

বিজ্ঞাপন

গোয়া পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, মারামারিটি কোনো বড় বিষয় নিয়ে নয়, বরং একে অপরের সঙ্গে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে সংঘটিত হয়েছিল। পুলিশ বাহিনীর তৎপরতায় উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে আসা হয়, কিন্তু তারা থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করতে রাজি হননি। এমনকি ফারহান এবং অন্যরা মেডিকেল পরীক্ষাও করাতে অস্বীকৃতি জানান।

পুলিশ আরও জানায়, ফারহান তার বৈধ অস্ত্র থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং বন্দুক বহনের অনুমতিপত্রও দেখিয়েছেন। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি তিনি। ক্যালাঙ্গুট পুলিশ ফারহানের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে মারামারি, শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা, এবং ক্যান্ডোলিম সমুদ্র সৈকতে হট্টগোল সৃষ্টির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।

এছাড়াও, ফারহান এর আগেও বিভিন্ন কারণে খবরের শিরোনামে এসেছেন। ২০২২ সালে গোয়া বিমানবন্দরে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, যখন একজন পুরুষ কর্মকর্তা আয়েশা টাকিয়াকে অনুপযুক্তভাবে স্পর্শ করার চেষ্টা করেছিলেন।

২০০৯ সালে, ফারহানকে বিয়ে করেন আয়েশা টাকিয়া।

২০১৩ সালে তাদের ছেলে মিখাইলের জন্ম হয়। শোবিজে দীর্ঘদিন ধরে না থাকার পরেও, আয়েশা সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় রয়েছেন। ফারহান আজমিরের বিরুদ্ধে এই মামলার বিষয়টি অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখছেন এবং এর পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

পড়ুন : হত্যা মামলায় সাবেক বিচারপতি মানিক রিমান্ডে

দেখুন : ড. ইউনুসসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন