বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে নতুন এক মাইলফলক তৈরি হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড, এবার আরব আমিরাতে দুটি আধুনিক টাগবোট রপ্তানি করতে যাচ্ছে। এটি বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাতের জন্য এক অনন্য অর্জন।
২০০০ সাল থেকে দেশের শিপ বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিতে প্রভাব ফেলতে থাকা ওয়েস্টার্ন মেরিন, এই পর্যন্ত ৩১টি জাহাজ রপ্তানি করেছে এবং তৈরি করেছে আরও ৫০টি জলযান। যদিও করোনা মহামারির কারণে কিছু সময় তাদের রপ্তানি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছিল, তবে বর্তমানে তারা আবারও নতুন উদ্যোমে এগিয়ে যাচ্ছে।
২০২৩ সালে ওয়েস্টার্ন মেরিন আরব আমিরাতের মারওয়ান শিপিং লিমিটেডের সঙ্গে ৮টি জাহাজ নির্মাণের চুক্তি করেছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ৬৯ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ‘রায়ান’ সফলভাবে হস্তান্তর করেছে। বাকি জাহাজ ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে হস্তান্তর করবে।
এ মাসে, ‘খালিদ’ এবং ‘ঘায়া’ নামের দুটি অত্যাধুনিক টাগবোট, আরব আমিরাতের মারওয়ান শিপিং কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই টাগবোটগুলোর ক্ষমতা অনেক বেশি—’খালিদ’ ৬৪ টন বোলার্ড পুল এবং ‘ঘায়া’ ৮০ টন বোলার্ড পুল ক্ষমতা সম্পন্ন।
এদিকে, ওয়েস্টার্ন মেরিনের এই সাফল্য বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যাবে, উল্লেখ করে বিশিষ্টজনরা বলছেন, ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ এর ব্র্যান্ডিং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের নাম আরও উজ্জ্বল করবে।
ওয়েস্টার্ন মেরিনের এই সাফল্য শুধু তাদের জন্য নয়, দেশের শিল্প খাতের জন্য প্রেরনার উৎস, এমনটাই অভিমত সংশ্লিষ্টদের।
পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ
এস/


