20.7 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ৫:০৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

আসাদকে উদ্ধারে ইরানের পাঠানো বিমান রুখে দিয়েছিল ইসরায়েল: নেতানিয়াহু

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে উদ্ধারের জন্য ইরান যে উদ্যোগ নিয়েছিল, তা ব্যর্থ করে দেয় ইসরায়েল। এমনটাই দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানান, ইরান যখন দামেস্কে আসাদকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে উড়োজাহাজ পাঠায়, তখন ইসরায়েলের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান তা মাঝ আকাশে বাধা দেয়। ফলে ইরানি উড়োজাহাজগুলো আর দামেস্ক পৌঁছাতে পারেনি এবং ইরান আসাদকে সহায়তায় সৈন্য পাঠাতে ব্যর্থ হয়।

বিজ্ঞাপন

গত বছরের ৮ ডিসেম্বর সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে প্রবেশ করে বিদ্রোহী যোদ্ধারা। ভোরবেলা শহর দখলের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বাশার আল-আসাদ। পরে জানা যায়, রাশিয়ার একটি বিশেষ উড়োজাহাজে করে তাঁকে প্রথমে লাতাকিয়ায় নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে মস্কোতে। তাঁর স্ত্রী আসমা আল-আসাদ ও তাঁদের তিন সন্তান আগেই মস্কোয় ছিলেন।

এই ঘটনার মধ্য দিয়ে সিরিয়ায় আল-আসাদ পরিবারের ৫৩ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। ১৯৭১ সালে বাশারের বাবা হাফিজ আল-আসাদ ক্ষমতায় আসেন এবং ২০০০ সাল পর্যন্ত দেশ শাসন করেন। হাফিজের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসেন তাঁর ছেলে বাশার আল-আসাদ, মাত্র ৩৪ বছর বয়সে। টানা ২৪ বছর শাসন করেন তিনি।

বাশার আল-আসাদের শাসনের শেষ ১৩ বছর ছিল ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। এই সময়ে দেশটিতে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ নিহত হন এবং প্রায় অর্ধেক জনগণ উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়। আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলো একে আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকট হিসেবে আখ্যা দেয়।

নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরান চেয়েছিল আসাদকে উদ্ধার করে সিরিয়ার সরকারব্যবস্থা ধরে রাখতে। তবে ইসরায়েল সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয়। যদিও নেতানিয়াহু এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি এবং ইরানের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের হাতে রাজধানীর পতনের পর রাশিয়ার সহায়তায় বাশার আল-আসাদকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। তিনি এখন রাশিয়ায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

পড়ুন: ইরানের বন্দরে বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৪০, আহত হাজার ছাড়াল

দেখুন: ইরানের আ’য়’র’ন’ডো’ম রেডি

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন