যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইংরেজিকে সরকারি ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এই আদেশের ফলে সরকারি সংস্থা এবং ফেডারেল তহবিল পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি বাধ্যতামূলক হবে যে তারা ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষায় নথি ও সেবা প্রদান করবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ট্রাম্পের এই আদেশ সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের একটি আদেশ বাতিল করে দিয়েছে, যার মাধ্যমে সরকার ও ফেডারেল তহবিল পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ইংরেজি না জানা ব্যক্তিদের ভাষাগত সহায়তা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল।
নতুন আদেশের মাধ্যমে ইংরেজিকে দেশের জাতীয় ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে, যার ফলে যোগাযোগ সহজতর হবে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের ঐক্য এবং কার্যকর সমাজ গঠনে সহায়তা করবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, “নতুন আমেরিকানদের জাতীয় ভাষা শেখা এবং গ্রহণ করতে উৎসাহিত করা যুক্তরাষ্ট্রকে আরও সুসংহত ও শক্তিশালী করবে।”
ইউএস ইংলিশ নামক সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, ৩০টিরও বেশি অঙ্গরাজ্য ইতোমধ্যে ইংরেজিকে তাদের সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করেছে। এই সংগঠনটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করছে। এদিকে, ট্রাম্পের প্রথম শপথ গ্রহণের পরপরই হোয়াইট হাউসের স্প্যানিশ ভাষার ওয়েবসাইট সংস্করণটি সরিয়ে দেওয়া হয়, যা পরে ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথ নেওয়ার পর পুনরায় চালু করা হয়েছিল। তবে, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত, ট্রাম্প প্রশাসনের শপথ গ্রহণের পর হোয়াইট হাউস এখনও ওয়েবসাইটের স্প্যানিশ সংস্করণ পুনরায় চালু করেনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪ কোটি বাসিন্দার মধ্যে প্রায় ৬ কোটি ৮০ লাখ মানুষ ইংরেজিকে ছাড়াও অন্যান্য ভাষায় কথা বলেন।
এর মধ্যে স্প্যানিশ, চীনা ভাষা এবং আরবি উল্লেখযোগ্য। এই সিদ্ধান্তে নতুন অভিবাসীরা তাদের ভাষা শেখা ও সামাজিকভাবে যুক্ত হতে উৎসাহিত হবেন, যা দেশটির সমৃদ্ধি ও উন্নয়নে অবদান রাখবে।
পড়ুনঃ ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে, বিষয়টি এমন নয় : প্রধান উপদেষ্টা
দেখুনঃ ইংরেজি ব্যবহার করলেই জরিমানা!
ইম/


