২০/০২/২০২৬, ২১:৪৭ অপরাহ্ণ
25.4 C
Dhaka
২০/০২/২০২৬, ২১:৪৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ইউপিডিএফের ৩ সংগঠনের সমাবেশ, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে আধাঘন্টা যান চলাচল বন্ধ

২০২৪ সালের ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে ‘সাম্প্রদায়িক হামলা’য় নিহতের প্রতিবাদ, লুটপাট, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি বাজারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম রাঙামাটি জেলা শাখা আয়োজিত সমাবেশের সময় রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

সমাবেশের আগে, দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাণপুর বিহার এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে কুতুকছড়ি বাজারে এসে সমাবেশ করে। সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করায় রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে আধা ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।

সমাবেশে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি তনুময় চাকমার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন- ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সংগঠক নির্ণয় চাকমা, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কুনেন্টু চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশন রাঙামাটি জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক রিতা চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়তন চাকমা প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও রাষ্ট্র এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করেনি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়নি। রাষ্ট্র যদি আমাদের নাগরিক ভাবত, তাহলে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করত, ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতো। আমরা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রাঙামাটিতে পাহাড় কাটার দায়ে দুই জনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন