২০২৫ সালে দেশটির প্রেস ফ্রিডম র্যাঙ্কিং আগের তুলনায় আট ধাপ নিচে নেমে গেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, রাজনৈতিক প্রভাব, মানহানির কঠোর আইন এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণ—এসবই ইতালির গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইতালি যদি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করতে চায়, তাহলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। প্রথমত, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক মামলা বা তথাকথিত SLAPP মামলা বন্ধ করতে হবে, যা সাংবাদিকদের ভয় দেখানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয়ত, মানহানির মামলাকে ফৌজদারি অপরাধের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে, কারণ এর মাধ্যমে স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিডিয়া স্বাধীনতা আইন দ্রুত বাস্তবায়ন করা দরকার, যাতে রাষ্ট্রীয় ব্রডকাস্টার ও গণমাধ্যমগুলো রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকতে পারে। সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন তথাকথিত ‘গ্যাগ আইন’ বাতিলেরও দাবি উঠেছে, যা বিচার প্রক্রিয়া শুরুর আগে কোনো তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
ইতালির বিরোধী দলগুলো বলছে, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষাই সরকারের প্রথম দায়িত্ব। সংবাদমাধ্যমকে অবাধে কাজ করার সুযোগ দেওয়া মানে শুধু সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নয়, বরং নাগরিকদের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা।
পড়ুন: মাদারীপুরের ডিসি আফসানা বিলকিসকে পরিবর্তন
দেখুন: ভোলা-১ আসনে মনোনয়ন পেয়ে যা বললেন গোলাম নবী
ইম/


