22.9 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ০:৩০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের গোপন কৌশল করছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিরুদ্ধে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অব্যাহতভাবে রাজধানী তেহরানসহ ইরানজুড়ে বিমান থেকে বোমা নিক্ষেপ ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। ইরানও প্রতিবেশী দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ইরাক ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ইরানের ড্রোন। পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি তেলবাহী জাহাজে হামলার কথা জানিয়েছে তেহরান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের হারানোর পরও ইরানের এমন পাল্টা আক্রমণ যুদ্ধের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে দেশটি। একই সঙ্গে গোয়েন্দা কার্যক্রমের পরিসর বাড়ানোর তৎপরতা শুরু করেছে পেন্টাগন। এ যুদ্ধ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়াতে পারে—এমনটি মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

যুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এখন নতুন করে কৌশল সাজাতে হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। কাতারভিত্তিক জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল-আরিয়ান মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো সম্পর্কে সঠিক বোঝাপড়ার ঘাটতি রয়েছে। সে কারণেই এমনটা হয়েছে। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল-আরিয়ান গতকাল আল-জাজিরাকে বলেন, ‘আমার মনে হয়, এমন একটি ধারণা কাজ করছিল যে এটি সম্ভবত গাদ্দাফির লিবিয়া বা সাদ্দামের ইরাকের মতো, যেখানে আপনি মূল নেতাকে সরিয়ে দেবেন এবং হঠাৎ পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়বে অথবা বিরোধীরা একজোট হয়ে মার্কিন বিমান হামলাকে সমর্থন জানাবে। এখন পর্যন্ত এর কোনোটিই ঘটেনি। তাই যুক্তরাষ্ট্র এখন এক অবিশ্বাস্য কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।’

ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পাশের দেশগুলোতেও। যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা। তবে সব উপেক্ষা করে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

ইতোমধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে পেন্টাগন– এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম পলিটিকো। ইরানের বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে গোয়েন্দা কার্যক্রম দ্রুত সম্প্রসারণের পদক্ষেপ নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগন।

সম্প্রতি পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগনের কাছে ফ্লোরিডার টাম্পায় অবস্থিত সদর দফতরে অতিরিক্ত সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা মোতায়নের অনুরোধ জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। অতিরিক্ত ওই কর্মকর্তারা অন্তত ১০০ দিন কিংবা সম্ভাব্য আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে সহায়তা করবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, পেন্টাগনের ভেতরে দ্রুত অতিরিক্ত জনবল ও সম্পদ জোগাড়ের এই পদক্ষেপ থেকে ধারণা করা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেও, পরিস্থিতি অনুযায়ী তা আরও দীর্ঘ হওয়ারও আভাস দেন।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ সর্বোচ্চ আট সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

তবে ইরানে আক্রমণ নিয়ে দেশের ভেতরেই বিরোধের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বাড়ছে রাজনৈতিক বিভাজন। এমনকি ট্রাম্পের অনেক সমর্থকই চাইছেন না এ যুদ্ধ। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্বীকার করেছেন যে, ইসরাইলকে সহায়তায় সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের ডেপুটি কমান্ডার জেনারেল কিওমারস হায়দারি বলেন, ‘এই যুদ্ধ কতদিন চলবে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইরান তার লক্ষ্য অর্জন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর আঘাত না দেয়া পর্যন্ত যুদ্ধ ত্যাগ করবে না।’

বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হিসাব–নিকাশ ছিল এমন যে এই সামরিক অভিযান চালাতে খুব কমসংখ্যক মার্কিন নাগরিকের প্রাণহানি হবে এবং অর্থনীতিতে সামান্যই প্রভাব পড়বে।

তবে ইরানে যুদ্ধের শুরুর দিনগুলোতেই ট্রাম্পের সেই ধারণা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে গেছে। যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মন্ত্রী হেমিশ ফলকনারও এ যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কথা বলেছেন। গতকাল ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি বলেন, ইরান সংকট আগামী কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে এ সংকট কয়েক দিন নয়; বরং কয়েক সপ্তাহ এবং সম্ভবত কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ইতিমধ্যেই ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদেশগুলো হামলার মুখে পড়েছে। শেয়ারবাজার টালমাটাল হয়ে গেছে। গ্যাসের দাম বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রতিদিন লাখ লাখ ডলার খরচ করছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানে মেয়েদের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বিচার বিমান হামলায় ১৭৫ জন নিহত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, এই হামলার জন্য কে দায়ী, তা নিয়ে তারা তদন্ত করছে। খোদ মার্কিন তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে, এই হামলার জন্য সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্র দায়ী।

এখন পর্যন্ত কোনো মার্কিন স্থল সেনা ইরানের অভ্যন্তরে ঢোকেনি। তবে ট্রাম্প প্রশাসন সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি নাকচ করেনি। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বুধবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সংঘাত হয়তো অল্প সময়ের মধ্যে শেষ হবে না।

সাংবাদিকদের হেগসেথ বলেন, ‘আমরা গতি কমাচ্ছি না, বরং আরও বাড়াচ্ছি।’

হেগসেথ আরও বলেন, ‘আজই আরও বোমারু বিমান এবং যুদ্ধবিমান এসে পৌঁছাচ্ছে।’ গত শনিবার থেকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় আগ্রাসন শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ আগ্রাসন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন পূর্ববর্তী সময়ের ধারাবাহিক সামরিক সাফল্য থেকে সাহস ও আত্মবিশ্বাস পেয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিতে ওই সামরিক সাফল্যগুলো দ্রুত এসেছিল।

এর আগে ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করেছে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে, ইয়েমেনে হুতি যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, ক্যারিবীয় অঞ্চলে সন্দেহজনক মাদকবাহী নৌযান ধ্বংস করেছে এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ইরাক, নাইজেরিয়া ও সোমালিয়ায় বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালিয়েছে।

এসব অভিযান দ্রুতই শেষ করা হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিতে, এসব অভিযান সফল ছিল। এতে মার্কিন নাগরিকদের প্রাণহানি বা অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ ছিল খুবই কম।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যে আগ্রাসন শুরু করেছে, তা শুধু এমন দ্রুত সময়ের অভিযানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসন যদি ইরানের শাসকগোষ্ঠীকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে যুদ্ধটা দীর্ঘ হতে পারে।

কলোরাডোর ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ এবং মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য জ্যাসন ক্রো একসময় মার্কিন সেনা কর্মকর্তা হিসেবে ইরাক ও আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি তাঁর অভিজ্ঞার আলোকে গত বুধবার সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সেই ‘অনন্ত যুদ্ধের পথে’ এগোচ্ছে, যা তিনি সরাসরি দেখেছেন। ট্রাম্প তখন এর বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিলেন।

ক্রো বলেন, ‘আবারও সেই লাখো কোটি ডলার খরচ, হাজার হাজার মার্কিন নাগরিকের প্রাণহানি, কয়েক দশকের অন্তহীন সংঘাত, আমার পুরো প্রাপ্তবয়স্ক জীবন, শতাব্দীর এক–চতুর্থাংশ ধরে মার্কিন যুদ্ধ—এসবের দিকেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট গত বুধবার বলেন, ট্রাম্প ইরানের জনগণকে তাদের দেশের ‘নিয়ন্ত্রণ’ নেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন ঠিকই। তবে তিনি সরকারবিরোধী লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সত্তাকে সমর্থন করেননি। হামলা শুরু করার পর থেকে ট্রাম্প কুর্দি নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু ইরানি সরকারকে উৎখাত করার জন্য তাদের অস্ত্র দেওয়ার কোনো পরিকল্পনায় তিনি একমত হননি।

ক্যাটো ইনস্টিটিউটের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি–বিষয়ক গবেষণা সহযোগী জন হফম্যান বলেন, ‘ট্রাম্প এমন এক ব্যক্তি, যিনি কম খরচে চমকপ্রদ বিজয় পছন্দ করেন। প্রশাসন এবং প্রশাসনের আশপাশের লোকজন থেকে যেমনটা শুনেছি, মাদুরোর ঘটনার পর তিনি বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন। অনেক দিক থেকে তিনি নিজেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে মনে করতেন। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন। খরচ ইতিমধ্যেই বাড়ছে।’

হফম্যান ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হওয়া এবং তেলের ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দামের ঊর্ধ্বগতির দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

হফম্যান আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় ইউরোপের প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকবে।’

মার্কিন চিন্তক প্রতিষ্ঠান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস–এর জ্যেষ্ঠ ফেলো এলিয়ট আব্রামস বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন, ইরানের নেতাদের হত্যা ও দেশটির সামরিক সক্ষমতা ভেঙে ফেলার মাধ্যমে অনেক সুবিধা অর্জন করা যাবে।

আব্রামস বলেন, ‘এ পর্যন্ত যেসব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা হলো মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি। তবে আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে লাভ অনেক বেশি হবে। এই শাসকগোষ্ঠী (ইরানের) ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন নাগরিকদের হত্যার চেষ্টা করেছে এবং কখনো কখনো সফল হয়েছে।’

ট্রাম্পসহ তিনজন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের জন্য কাজ করেছেন আব্রামস। তাঁর মতে, ট্রাম্প যদি স্থলবাহিনী পাঠাতে না পারেন, তবে মার্কিন নাগরিকদের প্রাণহানি সীমিত থাকতে পারে। তবে ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাত করা গেলে, তা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থ রক্ষা করবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : যুদ্ধে বিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য, দেশে দেশে নিহত বাড়ছেই

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন