25.7 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ২১:৩৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ইরানের ‘সুইসাইড ড্রোনে’ দিশেহারা যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধের চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে এক নতুন রণকৌশল হাতে নিয়েছে ইরান। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স এবং নেভি উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ‘সুইসাইড ড্রোন’ বা আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে হামলা চালাচ্ছে।

গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) যুদ্ধের চতুর্থ দিনে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্স ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড এবং দূরবর্তী মার্কিন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রাখবে। আর আইআরজিসি নেভি উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার হামলা পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।

ইরান এই যুদ্ধে অত্যন্ত সস্তা কিন্তু কার্যকর অস্ত্র হিসেবে আত্মঘাতী ড্রোনকে বেছে নিয়েছে। আইআরজিসি নেভি, যাদের কাছে এই ড্রোনের বিশাল মজুদ রয়েছে, তারা ইতোমধ্যে অভিযানের ১৪তম এবং ১৫তম ঢেউ সফলভাবে পরিচালনা করেছে।

দক্ষিণ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও আমিরাত অবস্থিত মার্কিন নৌ ও বিমান ঘাঁটিগুলো এই ড্রোনের প্রধান লক্ষ্যবস্তু।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনও স্বীকার করেছে, ঝাঁকে ঝাঁকে আসা এই ড্রোনগুলো মোকাবিলা করতে গিয়ে এই অঞ্চলের মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘থাড’ এবং ‘প্যাট্রয়েট’ ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।

আইআরজিসি নেভির ড্রোন হামলায় কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্প আরিফজানে ৬ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে ড্রোনের আনাগোনা দেখা গেছে। মানামায় মার্কিন পঞ্চম নৌ-বহরের সদর দপ্তরে ড্রোন হামলায় কমান্ড ও সাপোর্ট সেন্টারগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই কৌশলের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। একটি দামী ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের চেয়ে ইরানি ড্রোনের খরচ অনেক কম যা মার্কিন বাহিনীকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। নিচ দিয়ে উড়তে সক্ষম এই ড্রোনগুলো রাডার ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ: জয়ের পথে কে এগিয়ে?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন