ইসরাইলের হাইফা শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (৫ এপ্রিল) রাতের এ ঘটনায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে রাতভর অভিযান চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।
হাইফা ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসেস স্টেশনের কমান্ডার কোবি মিজরাহি জানান, ইরানের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভবনটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এতে বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে দমকল বাহিনী পুলিশ, আইডিএফ হোম ফ্রন্ট কমান্ড এবং অন্যান্য জরুরি সেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি অভিযান রাতভর অব্যাহত রয়েছে এবং আটকে পড়াদের কাছে পৌঁছাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
অন্যদিকে ইরানেও হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ইসফাহান প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। এসব হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশটির সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলে তার ‘সমান জবাব’ দেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, এ ধরনের হামলা বেসামরিক জনগণের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে এবং তা যুদ্ধাপরাধের উসকানি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধনীতি দেশটির সাধারণ জনগণের সমর্থন পায় না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরান সর্বোচ্চ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রস্তুত।
এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে লক্ষ্য করে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। রোববার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে।
পড়ুন: হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না: আইআরজিসি
আর/


