২৫/০২/২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
30.6 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ইসকন ও চিন্ময় দাসকে নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ সনাতনী জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ও হাটহাজারী পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেপ্তার নিয়ে কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে দপ্তরটির প্রিন্সিপাল ডেপুটি স্পোকসপারসন বেদান্ত প্যাটেল বলেন, আটক ব্যক্তিদের উপযুক্ত আইনি সুযোগ দিতে হবে এবং মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের সাথে আচরণ করা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন বেদান্ত প্যাটেল।

ইসকন ও চিন্ময় দাস প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র

গতকালের ব্রিফিংয়ে একজন প্রশ্নকারী জানতে চান, বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে কথিত সহিংসতা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা।

জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, ‘আমরা প্রতিটি সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজ করি। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, মৌলিক স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা দরকার। যেকোনো ধরনের প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে হওয়া উচিত। সব দেশের সরকারকে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে এবং এর অংশ হিসেবে মৌলিক মানবাধিকারকে সম্মান করতে হবে। এই বিষয়গুলোর ওপর আমরা সব সময় গুরুত্ব আরোপ করেই যাব।’

এরপর ওই একই প্রশ্নকারী বলেন, ‘চিন্ময় কৃষ্ণদাস বাংলাদেশে ইসকন নেতা। আবার ইউএস ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের প্রস্তাবিত পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ডও ইসকনের সদস্য। চিন্ময়কে বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তার আইনজীবীকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের কোনও আইনজীবী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এসব ব্যাপারে আাপনারা কোনো পদক্ষেপ নেবেন?

বেদান্ত প্যাটেল বলেন, ওই মামলার বিস্তারিত বিবরণ আমার কাছে নেই। কিন্তু আবারও বলব, যারা আটক আছে তাদের পক্ষে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব করতে দিতে হবে এবং মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকার বজায় রেখে আচরণ করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে আমরা সব সময়ই জোর দিয়ে যাচ্ছি।

দেখুন: ইসকন কি? কে তাদের চালায়? 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন