ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা আলোচনা একটি ‘প্রয়োজনীয়তা’ এবং ‘আগামী কয়েক দিনে’ এ সংক্রান্ত চুক্তি বা এর ফলাফল আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা।
গত ডিসেম্বরে সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে উৎখাত করে দেশটির ১৩ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটানো বাহিনীর নেতৃত্ব দেয়া আল-শারা বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের কাছে এই মন্তব্য করেছেন। খবর আল জাজিরা’র।
আসাদের উৎখাতের প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল ঘোষণা করে যে, এর মধ্য দিয়ে সিরিয়ার সাথে ১৯৭৪ সালের একটি নিরাপত্তা চুক্তি ভেঙে গেছে এবং এ কারণে তারা সিরিয়ার আরও বেশি ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করবে।
পাশাপাশি, আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ায় বিমান হামলাও বাড়িয়েছে ইসরায়েল। গত কয়েক মাসে এসব হামলায় বহু সিরিয়ান সেনা নিহত হয়েছেন।
এর মধ্যেই, সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি চুক্তির মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেছে শারা প্রশাসনকে সমর্থনকারী যুক্তরাষ্ট্র।
যদিও আহমেদ আল-শারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়াকে ইসরায়েলের সাথে চুক্তি করার জন্য চাপ দেয়নি, বরং তারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তিতে সিরিয়ার আকাশসীমার প্রতি সম্মান দেখাতে হবে, যা তেল আবিব বছরের পর বছর ধরে বারবার লঙ্ঘন করে আসছে। সেই সাথে সিরিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতারও প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। জাতিসংঘকে যেকোনো চুক্তি পর্যবেক্ষণ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
আল-শারা জানান, ইসরায়েলের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তির ফলে অন্যান্য চুক্তিতে পৌঁছানোও সম্ভব হতে পার। তবে দুই দেশের মধ্যে কোনো ‘স্বাভাবিকীকরণ চুক্তি’ বর্তমানে আলোচনায় নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পড়ুন: সিরিয়াকে বিপুল তেল দেবে সৌদি আরব
এস/


