পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা। তবে এবার আর কোনো মাধ্যমের মাধ্যমে নয়, মার্কিনি ও ইরানিরা সরাসরি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, তাদের সূত্র জানিয়েছেন, প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে কথা বলবে। কিন্তু তারা একেঅপরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়েছেন। তবে যেখানে আলোচনা হচ্ছে, সেখানে পাকিস্তানি কর্মকর্তারাও উপস্থিত আছেন।
এ আলোচনায় মার্কিনিদের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। অপরদিকে ইরানকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ।
ইসলামাবাদের এ আলোচনা নিয়ে বিভিন্ন কারণে শঙ্কা তৈরি হচ্ছিল। তবে সবকিছু ছাপিয়ে দুই দেশ বৈঠকে বসেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে তৃদেশীয় আলোচনা হচ্ছে।
তবে ইরানি আর মার্কিনিরা সরাসরি কথা বলছে কি না সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। যদি তারা সরাসরি কথা বলে থাকেন তাহলে ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ের সরাসরি আলোচনা হবে।
গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। এরপর তাদের মধ্যে আলোচনার চেষ্টা শুরু করে পাকিস্তান। যার ফল হিসেবে আজ বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি শুরু হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর টানা ৪০ দিন তাদের মধ্যে যুদ্ধ হয়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ থামলেও; এ যুদ্ধবিরতি প্রথম থেকেই বেশ ভঙ্গুর। ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল হুমকি দিয়েছেন, যদি আলোচনা ব্যর্থ হয় তাহলে ইরানে আবারও হামলা শুরু হবে। এরজন্য জাহাজকে অস্ত্রেসজ্জিত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক : আলোচনায় থাকছে যেসব বিষয়


