বিজ্ঞাপন

ইসলামের নামে আমেরিকার নীতি চাপাতে চায় একটি গোষ্ঠী: সৈয়দ রেজাউল করীম

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, একটি গোষ্ঠী ইসলামের নামে দেশের ওপর বিদেশি নীতি ও আদর্শ চাপিয়ে দিতে চায়। তারা ইসলামের লেবেল ব্যবহার করে আমেরিকা, ভারতসহ বিভিন্ন বিদেশি শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

রোববার রাতে নোয়াখালী-০১ আসনের সোনাইমুড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী-০১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ি) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জহিরুল ইসলাম সিআইপি।

সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, একটি দল ইসলামের নামে কথা বললেও বাস্তবে তারা ক্ষমতালোভী হয়ে গেছে। তারা বলে প্রচলিত ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশ পরিচালনা করবে। অথচ এই প্রচলিত ব্যবস্থার কারণেই আমাদের দেশের বহু মা সন্তানহারা হয়েছেন, হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে এবং বাংলাদেশ পাঁচ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

চরমোনাই পীর আরও বলেন, আজ একশ্রেণী মানুষ ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমেরিকার নীতি-আদর্শ, ভারতের স্বার্থ এবং বিদেশিদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়। আমরা এ ধরনের ভন্ডামির স্বপ্ন দেখাতে চাই না।

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের বুকে বাস্তব ইসলাম কায়েম দেখতে চাই। কেউ কেউ মনে করে আমরা একা হয়ে গেছি, কিন্তু আমরা একা নই। আমাদের সঙ্গে আল্লাহ আছেন, আমাদের সঙ্গে দেশের সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম আছেন, আর আছেন সেই সব মানুষ যারা সত্যিকার অর্থে ইসলামকে ভালোবাসেন।

তিনি দেশ থেকে এসব গোষ্ঠীকে উৎখাত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে সঠিক ইসলামি ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে। এই লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে বিজয়ী করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নির্বাচনী জনসভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ’সহ হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক ও ভোটাররা অংশ নেয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নোয়াখালীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরেণে ৮ দোকান পুড়ে ছাই

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন