বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি আসন করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিক্রমে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন বহাল করতে কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট কেন অবৈধ হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সেদিন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
১৯৬৯ সাল থেকে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন হয়ে আসছিল। সে অনুযায়ী বাগেরহাট-১ ছিল চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট; বাগেরহাট-২ ছিল বাগেরহাট সদর-কচুয়া; বাগেরহাট-৩ ছিল রামপাল-মোংলা এবং বাগেরহাট-৪ ছিল মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩০ জুলাই তিনশ’ আসনের সীমানা নির্ধারণের খসড়া প্রকাশ করে ইসি। যেখানে ৩৯টি আসনে ছোটখাটো পরিবর্তন ছাড়াও ভোটার ও জনসংখ্যার সামঞ্জস্য আনতে বাগেরহাটের একটি আসন কমিয়ে তিনটি এবং গাজীপুরে একটি বাড়িয়ে ছয়টি নির্ধারণ করা হয়।
এরপর দাবি-আপত্তির শুনানি শেষে ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত সীমানা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে। সেখানেও বাগেরহাটে তিনটি এবং গাজীপুরে ছয়টি আসন করার আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। এছাড়া ১৪টি আসনে ৪২টি আসনে পরিবর্তন আনা হয়।
পড়ুন: সুনামগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় পেঁয়াজ–চিনি জব্দ
দেখুন: মার্কিন-রুশ সম্পর্কে নতুন অধ্যায়? ট্রাম্প কৌশলে ইতিবাচক মস্কো |
ইম/


