বিজ্ঞাপন

ঈদযাত্রা: ৭ দিন বন্ধ থাকবে যেসব যানবাহন চলাচল

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের শেকড়ের টানে ফেরা নিরাপদ ও যানজটমুক্ত করতে একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের শেকড়ের টানে ফেরা নিরাপদ ও যানজটমুক্ত করতে একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ঈদযাত্রার মূল সময়ে সড়কের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগামী ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানায়। তবে জনস্বার্থ বিবেচনা করে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, আগামী ১৬ মার্চ থেকেই ঘরমুখী মানুষের চাপ সামলাতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বহির্গমন পথগুলোতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। যানজট এড়াতে সাধারণ যানবাহনকে কুড়িল-আব্দুল্লাহপুর, গুলিস্তান-সাইনবোর্ড, মিরপুর রোড-আমিনবাজার এবং ফুলবাড়িয়া-সদরঘাটসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রুট পরিহার করে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আন্তঃজেলা বাসগুলোকে কোনোভাবেই টার্মিনালের বাইরে বা সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো করতে দেয়া হবে না। এমনকি মহানগরীর প্রবেশপথে কোনো ধরনের বাস পার্কিং করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের জন্য জারি করা নির্দেশনায় ডিএমপি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা একই আসনের টিকিট একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাসের ছাদে যাত্রী বহন এবং ফিটনেসবিহীন বা যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত যানবাহন রাস্তায় নামানোর বিষয়েও দেয়া হয়েছে কড়া হুঁশিয়ারি। বেপরোয়া গতি, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো কিংবা চলন্ত অবস্থায় মোবাইল ফোন ও হেডফোন ব্যবহার বন্ধে সড়কগুলোতে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে।

অন্যদিকে যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপত্তায় ডিএমপি বেশ কিছু সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়েছে। অপরিচিত ব্যক্তির দেয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা, নির্দিষ্ট টার্মিনাল ছাড়া যত্রতত্র বাসে না ওঠা এবং পণ্যবাহী ট্রাকে যাত্রী হয়ে যাতায়াত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। রাস্তা পারাপারে ফুটওভারব্রিজ বা আন্ডারপাস ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে, যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা সরাসরি টার্মিনালের পুলিশ কন্ট্রোলরুম অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগ করতে পারবেন।

ঈদ আনন্দ যেন বিষাদে রূপ না নেয়, সে জন্য নগরবাসী ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই নির্দেশনাগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করার আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, যা জানা গেল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন