পবিত্র ঈদুল আজহার দিনেও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৪২ জন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।
মধ্যপাচ্য অঞ্চলে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে গত ৬ জানুয়ারি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৬ জানুয়ারি শুক্রবার দিনভর গাজার বিভিন্ন এলাকায় গোলাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সারা দিনে গাজার দক্ষিনাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে ১৬ জনের, উত্তর গাজার আল শিফা হাসাপাতালে ১৬ জনের, মধ্য গাজার প্রধান শহর গাজা সিটির আল আহলি ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতালের হাসপাতালে ৫ জনের এবং দেইর এল বালাহ- এলাকার আল আকসা হাসপাতালে ৫ জনের মরদেহ পৌঁছেছে।
এছাড়া ধ্বংস্তূপের তলায় আরও কয়েক জনের মরদেহ আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখনও সেসব উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গাজার দেইর আল বালাহ এলাকার বাসিন্দা এবং আলজাজিরার প্রতিনিধি তারেক আবু আজুম বলেন, “বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা ঈদুল আজহাকে আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করে; কিন্তু গাজায় ঈদ এই রূপেই আসে। প্রতিটি ঈদ গাজার বাসিন্দাদের গভীরভাবে স্মরণ করিয়ে দেয় যে তারা কী হারিয়েছে।”
ঈদের দিন ইসরায়েলের বোমা হামলায় গাজায় যে ৪২ জন নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন সাংবাদিকও আছেন। গাজার মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুসারে, সর্বশেষ জনকে নিয়ে গাজায় গত দেড় বছরে নিহত সংবাদিকদের সংখ্যা পৌঁছেছে ২২৬ জনে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় তারা।
পড়ুন: গাজায় ঈদের আগের দিন ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭০
এস


