স্মার্টফোন কেনার বাজেট যত বেশি হবে, ততই ফ্ল্যাগশিপ ও প্রিমিয়াম ফিচার পাওয়া যাবে। আর তাই ৫০ হাজার টাকার বেশি দামের স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে সাধারণত আকর্ষণীয় নকশা, শক্তিশালী ক্যামেরা ও প্রসেসরসহ বিভিন্ন সুবিধা বিবেচনা করেন ক্রেতারা। দেশের বাজারে ৫০ হাজার টাকার বেশি দামের ফোনগুলোর তথ্য জেনে নেওয়া যাক।
১. ওয়ানপ্লাস নর্ড ৫
ফোনটিতে শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর থাকায় স্বচ্ছন্দে গেম খেলার পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক কাজ করা যায়। ফোনটিতে থাকা ৬.৮৩ ইঞ্চি অ্যামোলেড পর্দার রিফ্রেশ রেট ১৪৪ হার্ডজ, ফলে সহজেই উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। পেছনে ৫০ ও ৮ মেগাপিক্সেলের দুটি ক্যামেরাসহ ফোনটির সামনে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে, তাই ভালো মানের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা সম্ভব। ১২ গিগাবাইট র্যাম এবং ৫১২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফোনটির দাম ৫৩ হাজার ৯৯৯ টাকা।
২. ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রো প্লাস
বাজেটের মধ্যে হাই-এন্ড ফিচার দিতে ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রো প্লাস মডেলের ফোনটিতে ১৪৪ হার্ডজ রিফ্রেশ রেট সুবিধার অ্যামোলেড পর্দা ব্যবহার করা হয়েছে। শক্তিশালী প্রসেসরের চলা ফোনটিতে ১০০ ওয়াটের সুপার ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জ করা যায়। ফলে ফোনেরর চার্জ শেষ হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। দাম ৫৪ হাজার ৯৯৯ টাকা
৩. অনার ৪০০
অনারের এই ফোনে রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের বিশাল ক্যামেরা এবং ৫ হাজার নিটস ব্রাইটনেস সম্পন্ন পর্দা। ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারি এবং ৮০ ওয়াটের সুপার-চার্জ সুবিধাযুক্ত ফোনটি একটানা দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়। উচ্চ রেজোল্যুশনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম ফোনটির দাম ৫৯ হাজার ৯৯০ টাকা।
৪. রেডমি নোট ১৫ প্রো
ফোনটিতে রয়েছে ৬.৮৩ ইঞ্চির ১.৫কে ক্রিস্টাল-রেস অ্যামোলেড পর্দা এবং শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর। ২০০ মেগাপিক্সেলেরের আল্ট্রা-ক্লিয়ার ক্যামেরা এবং ১০০ ওয়াট হাইপারচার্জ সুবিধার ফোনটিতে ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিও রয়েছে। ১২ গিগাবাইট র্যাম এবং ৫১২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফোনটি আইপি ৬৮ প্রযুক্তি সমর্থন করায় পানি ও ধুলাবালুতে নষ্ট হয় না। দাম ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।
৬. রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজি
৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারির পাশাপাশি ৮০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে ফোনটিতে। ফলে একটানা দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়। ৬.৮ ইঞ্চির কার্ভড ওলেড পর্দা এবং স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে চলা ফোনটির সামনে ও পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের শক্তিশালী ক্যামেরা। ফলে স্বচ্ছন্দে উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি তোলা যায়। দাম ৫৯ হাজার ৯৯০ টাকা।
৭. অপো রেনো ১৪ ফাইভ–জি
ডাইমেনসিটি প্রসেসরে চলা ফোনটিতে ৫০, ৫০ ও ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকায় সহজেই ভালো মানের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা যায়। ৮০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় ফোনটির চার্জ শেষ হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। আইপি ৬৮/৬৯ প্রযুক্তি সমর্থন করা ফোনটিতে ভালো মানের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। দাম ৫৯ হাজার ৯৯০ টাকা।
৮. স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫৬ ফাইভ–জি
এক্সিনস প্রসেসরে চলা ৬.৭ ইঞ্চির সুপার অ্যামোলেড পর্দার ফোনটিতে কর্নিং গরিলা গ্লাস রয়েছে। ৫০, ১২ ও ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরাযুক্ত ফোনটি আইপি ৬৭ প্রযুক্তিও সমর্থন করে। দাম ৬৪ হাজার ৪৯৯ টাকা।
৯. ভিভো ভি৬০ ফাইভ–জি
ভিভোর এই ফোনে জেইস অপটিক্স প্রযুক্তি থাকায় মোবাইল ফটোগ্রাফিতে ভিন্ন স্বাদ পাওয়া যায়। ফোনটির পেছনে ৫০, ৫০ ও ৮ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা এবং পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং ৯০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধার ফোনটির দাম ৬৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।
১০. গুগল পিক্সেল ৯এ
টেনসর জি৪ প্রসেসরে চলা ফোনটিতে রয়েছে ৬.৩ ইঞ্চির পি-অ্যামোলেড পর্দা, যার রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্ডজ। ফোনটির পেছনে থাকা ৪৮ ও ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দিয়ে সহজেই উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা যায়। দাম ৬৬ হাজার ৯৯০ টাকা।
১২. আইফোন ১৪
কম বাজেটের আইফোনপ্রেমীদের কাছে আইফোন ১৪ বেশ জনপ্রিয়। ফোনটিতে রয়েছে অ্যাপলের নিজস্ব এ১৫ বায়োনিক চিপ এবং ৬.১ ইঞ্চির সুপার রেটিনা এক্সডিআর পর্দা। ফোনটির ১২ মেগাপিক্সেল ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ সিনেমাটিক মোড এবং অ্যাকশন মোডের জন্য বিখ্যাত। দাম ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।
১৩. আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স
এ১৯ প্রো প্রসেসরে চলা আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ফোনে ৪৮, ৪৮ ও ৪৮ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা রয়েছে। নতুন ক্যামেরা কন্ট্রোল এবং অ্যাকশন বাটন ফোনটি ব্যবহারকে আরও সহজ করেছে। ৬.৯ ইঞ্চির বিশাল সুপার রেটিনা এক্সডিআর পর্দার ফোনটির দাম ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
পড়ুন- বাস কাউন্টার থেকে নির্ধারিত ভাড়া নেয়া হচ্ছে: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী


