ছুটির দিনে ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটায় ব্যস্ত নগরী। বিদেশি পোশাকের পাশাপাশি বিপনী বিতানগুলোতে বেড়েছে দেশীয় পোশোকের চাহিদা। ভারতীয় পোশাকের কদর কমলেও কয়েকগুণ বেশী পাকিস্তানী পেশাকের কদর।
ভারতের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভিসা আর আমদানি জটিলতায় এবারের ইদে কদর বেড়েছে দেশীয় পোশাকের। তবে সবকিছু ছাড়িয়ে পাকিস্তানী পোশাকের চাহিদা শীর্ষে।
দেশিয় পোশাক ছেড়ে কেন উৎসবের জন্য বিদেশি পোশাক বেছে নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রেতারা বলেন ডিজাইন আর মানের ভিন্নতার কথা। আর কাঙ্খিত এই পোশাক পেতে গুণতে হচ্ছে সর্বনিম্ন ৫-৬ হাজার টাকা।
এদিকে যেই শ্রেণী এই বাজেটে কিনতে পারছেন না বিদেশি পোশাক তারা আবার ঝুকছেন দেশিয় পোশাকের দিকে। বিক্রেতারা বলছেন সাদা বাহার, পাকিস্তানী থ্রি-পিসের ভিড়ে এবারে শাড়ীর চাহিদাও কম।
ক্রেতাদের অভিযোগ অনেক অসাধু ব্যবসায়ী নিম্নমানের কাপড়সহ তৈরি পোশাক ও ভারতীয় পোশাক বেশি দামে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন অতিরিক্ত মুনাফা। অতিরিক্ত মূল্য নিয়ে অভিযোগ থাকলেও সামনে ইদ তাই বাধ্য হয়েই অনেককেই কিনতে হচ্ছে নতুন পোশাক।
রাজধানীর মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা যায় বিগত বছরগুলোর তুলনায় চাহিদার সঙ্গে দামও বেড়েছে দেশি পোশাকের।
এনএ/


