25.7 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ২২:১০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

উচ্ছেদ অভিযানে ভূমিহীনরা খোলা আকাশের নিচে, সরকারি আবাসনের দাবি

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া বাজারে ভূমি অফিস নির্মাণের জন্য সরকারি খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে অন্তত ১২ ভুমিহীন পরিবারকে। ৩৬ শতাংশের সরকারি খাস জমি থেকে ১৪টি দোকান ও ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করায় অর্ধশতাব্দী ধরে বসবাসকারী পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়হীন বসবাস করছেন। সরকারি খাস জমিতে আবাসন ও জীবকা নির্বাহের ব্যবস্থার দাবি এই ভূমিহীন পরিবারের সদস্যদের।

বিজ্ঞাপন

উচ্ছেদকৃত পরিবারগুলোর দাবি, তারা বেশিরভাগই দিনমজুর বা ছোট দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। তাদের একমাত্র ভরসা ছিল এসব দোকান ও ঘর। উচ্ছেদের সময় প্রায় ২০-২৫ লাখ টাকার মালামাল নষ্টের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

ভুমিহীন পরিবারের সদস্য শাহজালাল জানান, আমরা ভুমিহীন পরিবার। ছোট থেকেই আমি এখানে বড় হয়েছি। আমার বাপ-মা এখানে থাকতো। খাস জমি তো আরও অনেক আছে। কিন্তু আমাদেরটায় ভেঙে দিলো কেন। আমরা এখন সবহারা হয়ে পথে বসে আছি। আমাদের সরকারি জমিতে একটা থাকার ব্যবস্থা করা হোক।

ভূমিহীন সুর্য বানু বলেন, “বাবাগো আমরা ভুমিহীন কইরাইতো খাস জমিত থাহি। আমাগর সব কিছু শেষ। সরকার আমাগো থাহার এডা ব্যবস্থা করুক। সারা বাজারের বেবাকখানি জমিই খাস। তাইলে আমগরখানি ভাংলো কেন। কত নেতারা দহল করে আছে তাগোলডা চোহে দেহেনা সরকার।”

খাসজমির ব্যবসায়ী মানিক বলেন, আমরা তো জানতাম না যে সব ভাইঙ্গা দিবো। আমরা কিছু না বোঝার আগে হটাৎ কইরা সব ভাঙা শুরু করছে। আমার দোকানে অনেক মাল ছিলো। সব টান দিতে পারি নাই। অনেক মাল নষ্ট হইছে, অনেক মাল ভেঙেও গেছে। আমরা ব্যবসায়ীরা প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার মালামাল হারিয়েছি।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল ইসলাম রাসেল জানান, উচ্ছেদকৃতরা দীর্ঘদিন খাস জমি দখল করে বসবাস করে আসছিলো। সেখানে ভূমি অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে। তাদের বার বার নোটিশ দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ যদি ভূমিহীন থেকে থাকে তাহলে পুনর্বাসনের জন্য আবেদনের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে সহযোগিতা ও পুনর্বাসন করা হবে।

পড়ুন: রাঙামাটিতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে দুদকের অভিযান

দেখুন: আগামী শুক্রবার, ভোট দিয়ে দেখুন পছন্দের সিনেমা

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন