উত্তরা গ্রীণ চা কারখানায় তৈরী চা হিসাবে গড়মিল থাকায় চা বোর্ড শোকজ করলেও গত ২৬ দিনেও শোকজের জবাব দেননি পরিচালক। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ চা বোর্ড পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো:আরিফ খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,আমরা ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।সেখান থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এর আগে গত ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ চা বোর্ড পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়, মজুদ রেজিষ্টার ও বাস্তবের সঙ্গে তৈরী চায়ের হিসাবে অমিল থাকায়, উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নোটিশ করেন।
নোটিশে বলা হয়, চা কারখানায় গত ২৭ আগষ্ট পরিদর্শনকালে মজুদ রেজিষ্টার অনুযায়ী কতটুকু তৈরী চা বাস্তবে পাওয়ার কথা, তার চেয়ে অনেক কম চা পাওয়া গেছে। কম চা থাকার কারণে কেন চা আইন-২০১৬ এর বিভিন্ন ধারা মোতাবেক আপনি এবং আপনার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে না। তা ৩১ আগস্টের মধ্যে বাংলাদেশ চা বোর্ড, আঞ্চলিক কার্যালয়, পঞ্চগড়-কে অবহিত করার জন্য বলা হয়।
উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক শাহ আলম মিঠু জানান, শোকজের জবাব দেওয়া হয়েছে।তবে চা বোর্ড কেন অস্বীকার করেছে তা জানা নাই।
পড়ুন: জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে সংবাদ সম্মেলন
এস/


