জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উপ-উপাচার্য সোহেল আহমেদকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতিসহ তিন দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেছেন একদল শিক্ষার্থী।

১৯ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯ টায় এ কর্মসূচি শুরু করেন প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা। এসময় ভবনের ভিতরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই উপ-উপাচার্য এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনের আর কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নি।

তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো : শেখ মুজিবের গ্রাফিতি মুছে ধর্ষণবিরোধী গ্রাফিতি আঁকার দায়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সংসদের (একাংশ) সভাপতি অমর্ত্য রায় এবং সাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলীর নামে জারিকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানা অবিলম্বে তুলে নিয়ে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং বিগত প্রশাসনের করা স্বৈরাচারী বহিষ্কারাদেশ বাতিল করতে হবে।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রফ্রন্টের সংগঠক সজীব আহমেদ জেনিস বলেন, আমাদের প্রথম দুইটা দাবি প্রক্রিয়াধীন থাকলেও আমাদের তৃতীয় সোহেল আহমেদের পদত্যাগের দাবিতেই আজকে আমাদের এই অবরোধ। দুর্নীতি বিরোধী যে আন্দোলনে ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর ছাত্রলীগের হামলার প্রত্যক্ষ মদতদাতা ও অমর্ত্য-ঋদ্ধর বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনরত অছাত্রদের পক্ষে কাজ করেছেন শিক্ষক সোহেল আহমেদ। তিনি স্পষ্টই আওয়ামী লীগের একজন দালাল। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এমন কাউকে কখনোই আমরা উপ-উপাচার্য হিসেবে মেনে নিতে পারে না।
শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়ে জানতে চাইলে এ সংগঠক বলেন, আমরা জানি যে বর্তমানে সব বিভাগেই পরীক্ষা চলছে। আমরা শিক্ষার্থীদের তাদের পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে সবাইকে সাহায্য করতেছি। তবে আমরা শিক্ষক-কর্মকর্তা কাউকে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে দিচ্ছি না।
টিএ/


